NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ | ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ৯/১১ হামলার ২৫ বছর, ‘কখনোই ভুলব না’ বার্তা ট্রাম্পের ‘একটি ছবি তুলতে পারি?’ মোদিকে ঘিরে ব্রিকস প্রতিনিধিদের ভিড় এক ভিসায় সৌদি-আমিরাতসহ ৬ দেশ, মধ্যপ্রাচ্যে আসছে ‘শেনজেন’ সুবিধা বাংলাদেশকে নিয়ে আয়োজিতব্য প্রথম ফিফা টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ পরিদর্শনে এনডিসির এএফডব্লিউসি প্রতিনিধিদল সুইজারল্যান্ডে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি মোদি-পুতিন মেগাবৈঠক আজ, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি চুক্তিতে বিশেষ নজর ৯/১১ হামলার ২৫ বছর পরেও শেষ হয়নি গোয়েন্দা ব্যর্থতার বিতর্ক বার্সেলোনার ‘রত্নকে’ নিতে চায় চেলসি
Logo
logo

ব্যাংকে ডলারের একক রেট ৮৯ টাকা


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০২:৫৭ পিএম

>
ব্যাংকে ডলারের একক রেট ৮৯ টাকা

এখন থেকে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ৮৯ টাকায় বিক্রি হবে প্রতি মার্কিন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিলস ফর কালেকশন (বিসি) সেলিং রেট ৮৯ টাকা ১৫ পয়সা। আমদানিকারকদের কাছে ডলার বিক্রি করার সময় ব্যাংকগুলো এই হার অনুসরণ করবে।

রোববার (২৯ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারে ৮৯ টাকা এবং বিসি সেলিং রেট ৮৯ টাকা ১৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এই দুই রেটের সমন্বয় করে একচেঞ্জ হাউজগুলো ডলার বিক্রি করবে। বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) এবং ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকারস, বাংলাদেশ (এবিবি)-এর প্রস্তাব অনুসারে এ রেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে ডলারের সংকট কাটাতে গত বৃহস্পতিবার এবিবি ও বাফেদার সঙ্গে সভায় বসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শে ব্যাংকগুলো এই সিদ্ধান্ত নেয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর ফজলে কবির।

সভায় অংশ নেওয়া একাধিক ব্যাংকার জানিয়েছেন, সংকট কাটাতে সভা ডাকা হয়েছিল। সভার সিদ্ধান্তে সংকট আরও বাড়বে। কারণ এত কম দামে প্রবাসী আয় বৈধ পথে দেশে আসবে না। ডলারের দাম কম হওয়ায় রপ্তানি আয়ও বাধাগ্রস্ত হবে। বাস্তবতাকে স্বীকার না করে এখনো ৯০ টাকার নিচে ডলারের দাম বেঁধে রাখতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যদিও বাস্তবে ৯৫ টাকার উপরে ডলার কেনবেচা হচ্ছে।

সভা শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, সংকট কাটাতে নিয়মিত ভিত্তিতে রিজার্ভ থেকে যে ডলার বিক্রি করা হচ্ছে, তা অব্যাহত থাকবে। রপ্তানিকারকদের নিজ ব্যাংকে ডলার নগদায়ন করতে হবে। বাফেদা ও এবিবি ডলারের এক মূল্য নির্ধারণ করে দেবে, যা মেনে চলবে সব ব্যাংক। এরপরই আজ এবিবি ও বাফেদার দেওয়া রেট পর্যালোচনা করে ডলার কেনাবেচার দাম নির্ধারণ কিরে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।