NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট তুরস্কে ট্রাম্পের অবস্থান জানত ইরান, ছিল বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট শিকার বাংলাদেশের, চাপে অস্ট্রেলিয়া
Logo
logo

মামলায় জিতে লন্ডনের ব্যয়বহুল প্রাসাদ পেলেন বাদশাহর স্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৭:১৬ এএম

মামলায় জিতে লন্ডনের ব্যয়বহুল প্রাসাদ পেলেন বাদশাহর স্ত্রী

সৌদি আরবের প্রয়াত বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদের এক বিধবা স্ত্রী, সৌদি রাজপরিবারের একজন সদস্য, আইনি লড়াইয়ে লন্ডনে ‘বিলিওনিয়ার’স রো’ নামে পরিচিত একটি প্রাসাদের মালিকানা পেয়েছেন। এই রায় সৌদি রাজপরিবারের উত্তরাধিকার বিরোধের এক বিরল দৃষ্টান্ত। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

 

মামলার এজহারে জানা গেছে, ১৯৭৪ সালে প্রয়াত বাদশাহ ফাহাদ প্রতিষ্ঠিত লিচেনস্টাইন-ভিত্তিক অ্যাস্টুরিয়ন ফাউন্ডেশন উত্তর লন্ডনের বিশপস অ্যাভিনিউয়ে কেনস্টেড হলের মালিকানা দাবি করে। তবে যুক্তরাজ্যের একজন বিচারক অ্যাস্টুরিয়ন ফাউন্ডেশনের আনা মালিকানার দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। কেনস্টেড হলের মূল্য প্রায় ১ কোটি পাউন্ডের অধিক। এভিনিউটি লন্ডনের অন্যতম ব্যয়বহুল রাস্তা।

মামলাটি সৌদি রাজপরিবারের মধ্যে একটি উত্তরাধিকার বিরোধের এক বিরল দৃষ্টান্ত। কারণ সাধারণত সম্পদের বিষয়াবলি সৌদি রাজপরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ও গোপন থাকে। সৌদি রাজ পরিবারের ফ্রান্স, জার্মানি এবং স্পেনের অন্যান্য সম্পত্তি নিয়ে বড় এক বিরোধের অংশ ছিল লন্ডনের বাড়িটি। এসব সম্পত্তির মালিকানা ২০০৫ সালে বাদশাহ ফাহাদের মৃত্যুর পরপরই হস্তান্তরিত হয়েছিল।

 

বাদশাহ ফাহদের বিধবা স্ত্রী আল জাওরাহ বিনতে ইব্রাহিম আবদুল আজিজ আল ইব্রাহিম বলেন, প্রয়াত বাদশাহর নির্দেশেই বোর্ডের একজন সদস্য এসব সম্পত্তির মালিকানা স্থানান্তর করেন বলে আদালত রায় দিয়েছে। বাদশাহ তাঁর স্ত্রীকে এসব সম্পত্তি স্বেচ্ছায় দিচ্ছেন—সংবলিত একটি হস্তলিখিত নোটও উদ্ধৃত আদালতে উত্থাপন করা হয়।