NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ২০, ২০২৬ | ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ছবি তোলার জন্য মিনতি করিনি—ট্রাম্পকে মেলোনির জবাব লেবাননে যুদ্ধবিরতি শুরু হাইতির জালে ব্রাজিলের গোল উৎসব অর্থাভাবে আটকে ছিল মারাঠি সিনেমা, মুক্তির ব্যবস্থা করে দিলেন শাহরুখ জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা
Logo
logo

পরিবারের অনেকেরই মানসিক সমস্যা রয়েছে, বললেন আমির কন্যা


খবর   প্রকাশিত:  ১০ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৩:৩৭ এএম

পরিবারের অনেকেরই মানসিক সমস্যা রয়েছে, বললেন আমির কন্যা

গত পাঁচ বছর ধরে অবসাদের সঙ্গে লড়াই করছেন বলিউড অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। 

ইরা জানান, তিনি যে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, সেটা বুঝতে অনেক সময় লেগেছিল তার। শুধু তাই নয়, একটা সময় দিনে প্রায় ৮ ঘণ্টা কাঁদতেন, এবং ১০ ঘণ্টা ঘুমিয়ে পার করতেও বলেও জানান এই তারকা কন্যা।

ইরা মনে করেন, বাবা আমির ও মা রীনা দত্তের বিবাহবিচ্ছেদ তার অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ার অন্যতম কারণ। তবে এই সমস্যাটা তার পরিবারের সদস্যদেরও রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

ইরা জানান, তিনি ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনে আক্রান্ত। যা প্রতি ৮-১০ মাসে এই ফিরে আসে। আমির কন্যা বলেন, ‘এটি মূলত জিনগত সমস্যা।সাইকোলজিক্যালও। কিছুটা সামাজিক প্রভাবও রয়েছে। পুরোটা বুঝতে আমার সময় লেগেছে। আমার পরিবারের অনেকেরই মানসিক সমস্যা রয়েছে। আমি নিজে সঠিক পথ খুঁজে নেইনি এবং ডিপ্রেশনের শিকার হয়েছি।’

আমিরের সঙ্গে মা রিনা দত্তের বিচ্ছেদ হয় ২০০২ সালে। ১৮ বছরের দীর্ঘ দাম্পত্যে ইতি টেনেছিলেন তারা। ওই সময়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে ইরা বলেন, ‘বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ঘটারই ছিল, তবুও আমার মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল। আমি কাউকে কিছু বলিনি যেহেতু তারা চিন্তিত হয়ে পড়বেন আমাকে নিয়ে, আমি খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করেছিলাম’।

তবে এখন আগের তুলনায় অনেকটাই সুস্থ ইরা। সম্প্রতি বাবা আমির ও মা রিনার সাহায্যে অগস্ত্য ফাউন্ডেশনের স্থাপন করেছেন তিনি। ইরার এই সংগঠনের লক্ষ্যই হল, যারা মানসিক সমস্যায় ভুগছেন তাদের সাহায্য করা।