NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা সব ধরনের প্রচার থেকে আড়ালে যাচ্ছেন আরিয়ানা গ্রান্ডে নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা
Logo
logo

সাধারণ জনগণের যুদ্ধের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ : আমু


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৪:০৭ এএম

>
সাধারণ জনগণের যুদ্ধের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ : আমু

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, হাতে গোনা গুটিকয়েক রাজাকার, আলবদর ছাড়া বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। এদেশের সাধারণ জনগণ সেদিন বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে একাট্টা হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিল। এই স্বাধীন বাংলাদেশ এদেশের সাধারণ জনগণের যুদ্ধের ফসল।

মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।   

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির হোসেন আমু বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি যারা অংশ নিতে পারেননি তারা সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন এবং অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি ছিল স্বাধীনতার মূলমন্ত্র। আর ৭ মার্চের ভাষণে ছিল  মুক্তিযুদ্ধের দিক নির্দেশনা ও স্বাধীনতার ঘোষণা। আজ যারা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক তোলে, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করে না।

এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব সাজ্জাদুল হাসান। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. শামসুল আলম। আরও বক্তব্য রাখেন  স্বাধীনতা পুরস্কার ও পদ্মশ্রী পদকপ্রাপ্ত লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)।