NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ইনটেনজিবল কালচারে অন্তর্ভুক্ত হতে বাংলাদেশকে পাশে চায় গুয়াতেমালা


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৭:৩৩ পিএম

>
ইনটেনজিবল কালচারে অন্তর্ভুক্ত হতে বাংলাদেশকে পাশে চায় গুয়াতেমালা

ইউনেস্কোর ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ কমিটির সুরক্ষার জন্য ইউনেস্কোর আন্তঃসরকারি কমিটির সদস্য হিসেবে গুয়াতেমালার ‘হলি উইক ইন গুয়াতেমালা’ মনোনয়নের জন্য ইউনেস্কোর ইনটেনজিবল কালচারাল হিউম্যানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে দেশটি।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেন গুয়াতেমালার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিও অ্যাডলফো বুকারো ফ্লোরেস। এ সময় গুয়াতেমালার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সহযোগিতা চান।

ড. মোমেন দুই দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে গুয়াতেমালাকে বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দেন। 

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী টেলিফোন আলাপে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একই মূল্যবোধ ও নীতির ভিত্তিতে দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বাংলাদেশের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

গুয়াতেমালার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগামীতে বাংলাদেশের সঙ্গে আরও শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

মোমেন বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য গুয়াতেমালার ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি তিনি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা ছাড় চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি গুয়াতেমালার আরও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করেন।

ড. মোমেন মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে দ্রুত প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও স্থায়ী সমাধান আনতে গুয়াতেমালার অব্যাহত সমর্থন প্রত্যাশা করেন। তিনি গুয়াতেমালার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানান।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন, মানুষের বাস্তুচ্যুতি, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার মতো বৈশ্বিক সমস্যা মোকাবিলায় বহুপাক্ষিক ফ্রন্টে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।