NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
Logo
logo
ব্রাজিল নির্বাচন

হার মানলেন বলসোনারো, প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন লুলা


খবর   প্রকাশিত:  ০৭ জানুয়ারী, ২০২৫, ০১:৩১ এএম

হার মানলেন বলসোনারো, প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন লুলা

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ব্রাজিলের নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ডানপন্থী জাইর বলসোনারোকে পরাজিত করে আবারও প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, লুলা ৫০.৯ শতাংশ ও বলসোনারো ৪৯.১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

অল্প ব্যবধানে হার মেনেছেন বলসোনারো, যদিও নির্বাচনের আগে তিনি নিশ্চিত ছিলেন, তিনিই বিজয়ী হবেন।

লুলার এ জয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কারণ, তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশই নিতে পারেননি।

 

সেসময় ব্রাজিলের রাষ্ট্রীয় তেল কম্পানি পেট্রোব্রাসের সঙ্গে এক চুক্তির বিনিময়ে ব্রাজিলের একটি নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অপরাধে তিনি জেলে ছিলেন। সেখান থেকে চমৎকারভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।  

 

এর আগে, লুলা ২০০৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব পালন করেন। সেসময় তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কিছু দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, বলসোনারো ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও লাগামছাড়া কথাবার্তার জন্য সমালোচিত ছিলেন। করোনাকালের শুরুতে ব্রাজিলকে রক্ষায় তিনি বিশেষ কোনো পদক্ষেপ নেননি।  

শুধু ব্রাজিল নয়, পুরো বিশ্বের মানুষ আগ্রহ নিয়ে এই নির্বাচনটি দেখেছেন। পরিবেশকর্মীরা বিশেষভাবে চিন্তিত ছিলেন যে, বলসোনারো সরকার আরো চার বছর ক্ষমতায় থাকলে আমাজন বন উজাড় আরো বেড়ে যেত। এনিয়ে লুলা তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমাজন রক্ষায় তিনি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আশা করেন। তাঁর বক্তৃতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ক্ষুধা মোকাবেলার প্রতিশ্রুতি, যা ব্রাজিলে বেড়েই চলেছে। দুইবার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা লুলার জনপ্রিয়তার মূল চাবিকাঠি ছিল লাখ লাখ ব্রাজিলিয়ানকে দারিদ্র্যমুক্ত করা।

সূত্র : বিবিসি