NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬ | ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ আজ নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে যে তথ্য দিলেন ট্রাম্প ‘আইকনিক ১০’ নিয়েই পেশাদার ফুটবলে ফিরলেন রোনালদিনহো, কবে মাঠে নামছেন? ‘জয়পুরেই ঐশ্বরিয়া আর আমার প্রেম শুরু’—অভিষেক বচ্চন নতুন অবৈধ ইসরায়েলি বসতি নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ কিউবার সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ছাড়াল ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার কোনো আলোচনা নয়, বন্ধ হরমুজ প্রণালি: বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তায় হুমকি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংকট
Logo
logo

‘বাবা নিশ্চয়ই ওপর থেকে গর্বভরে তার প্রিয় সোনিয়াকে দেখছেন’—রাহুল গান্ধী


খবর   প্রকাশিত:  ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০৮ এএম

‘বাবা নিশ্চয়ই ওপর থেকে গর্বভরে তার প্রিয় সোনিয়াকে দেখছেন’—রাহুল গান্ধী

মা সোনিয়া গান্ধীর আসন্ন আত্মজীবনী প্রকাশকে ঘিরে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। প্রয়াত বাবা ও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর জন্মবার্ষিকীতে মায়ের জীবনের নানা কঠিন অধ্যায়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তার বাবা নিশ্চয়ই ওপর থেকে গর্বভরে তার প্রিয় সোনিয়াকে দেখছেন।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানায়।

সোনিয়া গান্ধীর আসন্ন স্মৃতিকথার নাম ‘বিলংগিং : আ জার্নি অব লাভ’। বইটিতে যুদ্ধ-পরবর্তী ইতালিতে তার শৈশব, রাজীব গান্ধীর সঙ্গে পরিচয় ও প্রেম, ভারতে আসা এবং জীবনের নানা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসবে।

রাহুল গান্ধী বলেন, রাজীব গান্ধীকে শেষবার সোনিয়ার সঙ্গে একসঙ্গে দেখার পর ৩৫ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে।

বাবার মৃত্যুর পর থেকে তিনি ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা দেখেছেন, কিভাবে নানা কঠিন পরিস্থিতি সাহস ও মর্যাদার সঙ্গে সামলেছেন তাদের মা।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় রাহুল জানান, বাবা চলে যাওয়ার পর জীবন তার জন্য কতটা কঠিন ছিল, তা শুধু প্রিয়াঙ্কা ও তিনিই জানেন।

মায়ের স্মৃতিকথা প্রকাশিত হতে যাওয়ায় নিজের আনন্দ ও গর্বের কথাও জানান রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, সোনিয়া গান্ধীর মতো ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রাখা একজন মানুষের জন্য নিজের গল্প বিশ্বের সামনে তুলে ধরা সহজ ছিল না।

 

রাহুল গান্ধী জানান, সোনিয়ার জীবনের গল্প এখন লাখো মানুষের কাছে পৌঁছাবে, যারা তাকে ভালোবাসেন। এরপর প্রয়াত বাবাকে স্মরণ করে তিনি আরো বলেন, ‘আজ তার জন্মদিনে আমি দেখতে পাচ্ছি, বাবা নিশ্চয়ই ওপর থেকে হাসছেন এবং তাঁর প্রিয় সোনিয়াকে নিয়ে গর্বিত।’

উল্লেখ্য, সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথাটি প্রকাশ করবে মার্কিন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান আলফ্রেড আ নফ। আগামী ১০ নভেম্বর বইটি প্রকাশের কথা রয়েছে।

বইটিতে সোনিয়া গান্ধীর ইতালির ছোট শহরে বেড়ে ওঠা থেকে শুরু করে কেমব্রিজে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে পরিচয় ও প্রেমের গল্প উঠে আসবে।

পাশাপাশি শাশুড়ি ইন্দিরা গান্ধী ও স্বামী রাজীব গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের মতো জীবনের গভীর ব্যক্তিগত শোকের ঘটনাগুলোও স্মৃতিকথায় স্থান পেয়েছে।

 

১৯৪৬ সালে ইতালিতে জন্ম নেওয়া সোনিয়া গান্ধী ১৯ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজে পড়াশোনার সময় রাজীব গান্ধীর সঙ্গে পরিচিত হন। ১৯৬৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাদের বিয়ে হয়। পরবর্তী সময়ে ভারতের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সোনিয়া গান্ধী এবং দীর্ঘ সময় কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।