NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুলাই ১২, ২০২৬ | ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটর করছেন : মাহদী আমিন ট্রাম্পের উপহারের বিমান নিয়ে সংবাদ প্রকাশ, সাংবাদিকদের তলব তিব্বতে চীনের নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘে বিক্ষোভ, আটক ৩ বেলিংহামের ঝলকে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড, বিদায় নরওয়ের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স
Logo
logo

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে ২২ শতাংশ এগিয়ে ট্রাস


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:০৬ পিএম

>
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে ২২ শতাংশ এগিয়ে ট্রাস

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে মাঠে রয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস। কনজারভেটিভ পার্টির এই দুই শীর্ষনেতার মধ্যে ২২ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন লিজ ট্রাস। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর জানা যাবে বরিস জনসনের উত্তরসূরি হিসেবে কে ১০, ডাউনিং স্ট্রিটে পা রাখবেন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

শনিবার (১৩ আগস্ট) অপিনিয়াম রিসার্চের কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যদের জরিপে দেখা গেছে যে, ঋষি সুনাকের চেয়ে ২২ শতাংশ বেশি পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এতে ৪৫০ জন পার্টির সদস্যের মধ্যে ৬১ শতাংশ সমর্থন করছেন লিজ ট্রাসকে। আর ৩৯ শতাংশের সমর্থন রয়েছে ঋষি সুনাকের ওপর। জরিপের ফলে সুনাকের তুলনায় ট্রাস ২২ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন।

ক্ষমতাসীন রক্ষণশীলদের প্রায় দুই লাখ সদস্য প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পরিবর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ভোট দিচ্ছেন। বরিস জনসন একাধিক কেলেঙ্কারি এবং সংসদীয় বিদ্রোহের পর গত জুলাই মাসে বলেছিলেন যে পার্টি চাইলে তিনি পদত্যাগ করবেন।

নেতৃত্বের ভোট পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একজন বিজয়ীর নাম সেপ্টেম্বরে ঘোষণা করা হবে ৫ সেপ্টেম্বর। এই মতামত জরিপ পরিচালনা করা হয় ৮ ও ১২ আগস্ট। জরিপে দেখা যায় যে ট্রাসকে সমর্থন করার শীর্ষ তিনটি কারণ রয়েছে।

যদিও সুনাকের পদত্যাগ জনসনের পতন ঘটাতে সাহায্য করেছিল। সুনাকের সমর্থকরা বলেছেন যে তিনি অর্থনীতিতে ভালো এবং দুই প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে যোগ্য বা বুদ্ধিমান।