NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

ভারতের রাজধানীতে উত্তেজনা, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০১:২৩ পিএম

>
ভারতের রাজধানীতে উত্তেজনা, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি ও দলটির অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নেতা রাহুল গান্ধীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৫ আগস্ট) দুপুরে দেশটির রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভের সময় তাকে আটক করা হয়।

আটক করা হয়েছে রাহুলের বোন প্রিয়াঙ্কাকেও। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের বাসভবন ঘেরাও করার কর্মসূচি ঘোষণা করে। শুক্রবার এই কর্মসূচি পালনের সময়ই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় দিল্লিতে। প্রেসিডেন্ট ভবনের উদ্দেশ্যে পদযাত্রার সময় আটক করা হয় রাহুল গান্ধীসহ একাধিক কংগ্রেস নেতাকে। এমনকি দলীয় সংসদ সদস্যদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, বেকারত্ব সমস্যা, জিএসটি বৃদ্ধি, মূল্যবৃদ্ধির মতো একাধিক ইস্যুর প্রতিবাদে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে শুক্রবার দিল্লির রাজপথে নামে কংগ্রেস। পার্লামেন্ট থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা ছিল।

তবে কালো পোশাক পরে রাস্তায় নামতেই শীর্ষনেতা রাহুল গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতৃত্বকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বহু কংগ্রেস নেতা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন। পরে প্রিয়াঙ্কাকেও আটক করে পুলিশ।

এছাড়া সংসদ ভবন থেকে মিছিল শুরু হয়ে বিজয়চকের কাছে আসতে কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের ঘিরে ফেলে দিল্লি পুলিশ। রাহুল গান্ধী ছাড়াও পি চিদম্বরম, মল্লিকার্জুন খাড়গে, অধীর চৌধুরী, রাজীব শুক্লার মতো কংগ্রেস নেতৃত্ব এদিনে মিছিলে উপস্থিত ছিলেন। তাদেরকেও আটক করা হয়েছে।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, কোনো অনুমতি না নিয়েই কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই মিছিল আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেই কারণেই মাঝপথে মিছিলে বাধা দেওয়া হয়।

মূলত শুক্রবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কংগ্রেস কর্মীরা দিল্লিতে জড়ো হতে থাকেন। দিল্লি পুলিশ অবশ্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। দিল্লির সীমানা এলাকাগুলোতে কড়া প্রহরা বসানো হয়েছিল। এছাড়া কংগ্রেস সদর দপ্তরের সামনে মোতায়েন করা হয়েছিল আধাসামরিক বাহিনী।

তবে সব উপেক্ষা করেই কংগ্রেস কর্মীরা এদিন পথে নামেন। মহিলা কংগ্রেসের কর্মীরা দলের সদর দপ্তরের সামনেই কাঠের জ্বালানিতে রান্না করে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করেন। যুব কংগ্রেস কর্মীরাও দলের সদর দপ্তরের বাইরে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভে বাধা দিতে গেলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশের হাতে বহু কংগ্রেস নেতা-কর্মী আটক হন।

মিছিল শুরুর আগে সাংবাদিকদের রাহুল গান্ধী বলেন, ‘দেশে গত ৭০ বছরে যা যা তৈরি হয়েছে, এই ৮ বছরে তা সম্পূর্ণ ধুলিসাৎ হয়ে গেছে। দেশে গণতন্ত্র নেই। আমাদের সংসদে কথা বলতে দেওয়া হয় না, কারণে অকারণে গ্রেপ্তার করা হয়।’