NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬ | ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ট্রাম্পের 'নজিরবিহীন ঘোষণা'য় ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে বায়ার্নের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন নিয়ে মুখ খুললেন কেইন নেপালের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, দেশে ফিরে যা জানালেন অপু বিশ্বাস জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৫৩৮, নিখোঁজ প্রায় ১,০০০ ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে লেক অন্টারিওর নতুন নাম ‘লেক আমেরিকা’ হাসিনাকে ঘিরে টানাপোড়েন, তবুও কেন তারেক রহমানকে দিল্লিতে নিতে আগ্রহী ভারত
Logo
logo

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ: মুক্তিসংগ্রামের প্রেরণা ,    নিউইয়র্ক  প্রবাসী কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট -  হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন


খবর   প্রকাশিত:  ০১ নভেম্বর, ২০২৪, ১১:৩৮ পিএম

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ: মুক্তিসংগ্রামের প্রেরণা ,    নিউইয়র্ক  প্রবাসী কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট -  হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের তাৎপর্য ও মহিমাকে কোনো অজুহাতে খর্ব না করার আহ্বান জানিয়ে গণমাধ্যমে নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেন নিউইয়র্ক  প্রবাসী কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন  বলেন,স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে  জাতির পিতী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ছিলো স্বাধীনতার ‘বীজমন্ত্র’ এবং সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা। ১১০০ বছরের পরাধীনতার শিকল ভেঙ্গে বাঙালির কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের এক মহৎ অধ্যায় হচ্ছে ৭ মার্চ। ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’— চূড়ান্ত লড়াইয়ের এই নির্দেশনায় অকুতোভয় বাঙালি এবং সর্বস্তরের মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তি সংগ্রামে।

বাঙালির হাজার বছরের দুঃখ-বেদনা, বঞ্চনা এবং ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে দূরে রাখার ইতিহাসকে ধারণ ক’রে, এই ভূখন্ডের জনগোষ্ঠীর মনের গভীরে স্বাধীনতা অর্জনের সামগ্রিক আকাঙ্খাকে তুলে ধ’রে গণমানুষের অভিপ্রায়ের চরম অভিব্যক্তি প্রকাশ পায় ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে। যা সমগ্র জনগোষ্ঠীকে তার মর্মমূলসমেত গভীরভাবে আবেগকম্পিত, উদ্দীপ্ত এবং জাগ্রত ক’রে তুলেছিলো। এই ভাষণের সাথে স্বাধীনরাষ্ট্র নির্মাণের মূল পরিকল্পনাকারী সিরাজুল আলম খান-সহ অন্যান্যরা সম্পৃক্ত ছিলেন। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাঙালির জাতীয় জীবনের একটি অবিস্মরণীয় দিন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন স্বাধীনতা-সংগ্রাম ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের আপসহীন নেতা। 

‘৭১-এর ২ মার্চ ‘স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন’, ৩  মার্চ ‘ ইশতেহার পাঠ’ ৭ মার্চ-এর ভাষণ এবং সশস্ত্র মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন ‘স্বাধীনতা’— একই সূত্রে গাঁথা। সুতরাং, স্বাধীনতার পরবর্তীতে গণআকাঙ্ক্ষা বিরোধী শাসনক্ষমতা বা অপকর্মের দায়-দায়িত্বের নিরিখে স্বাধীনতা অর্জনের লড়াইয়ের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা এবং অসামান্য বীরত্বকে অস্বীকার করা হবে—সশস্ত্র মুক্তিসংগ্রামের অন্তর্নিহিত সত্যকে আড়াল করা। 

অতএব, ৭ মার্চের গুরুত্ব, তাৎপর্য এবং ঐতিহাসিকতাকে অনুধাবন করার সীমাবদ্ধতা ও ব্যর্থতা হবে আত্মঘাতী। এ ধরনের অদূর ও অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত এবং অপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম সংগ্রামী জনগণ মেনে নেবে না। রাষ্ট্রীয় সংস্কারের মৌলিক করণীয় উপেক্ষা ক’রে, সরকার নতুন-নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করলে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শক্তির মাঝে বিভেদ তৈরী করবে।
  
আমরা আশা করব, জুলাই গণহত্যার মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বর্তমান প্রজন্মের সাথে পূর্ব প্রজন্মের অসম সাহসী বীরদের মহৎকীর্তিকে স্বীকৃতি দিয়েই নতুন প্রজাতন্ত্র নির্মাণ করতে হবে।
https://www.gbnews24.com/news/32124
https://www.gbnews24.com/news/32125