NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা সব ধরনের প্রচার থেকে আড়ালে যাচ্ছেন আরিয়ানা গ্রান্ডে নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা
Logo
logo

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবি, ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৮:০৭ এএম

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবি, ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু

যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পথে ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ফ্রান্সের বুলান শহরের কাছে নৌকাটি ডুবে যায়।

 

ফ্রান্সের উপকূলীয় শহর বুলানের সরকারি কৌঁসুলি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মৃত সবাই আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়ার নাগরিক। তবে উদ্ধারকারীরা তাদের নাগরিকত্ব সম্পর্কে এখনো পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানাতে পারেনি।

ফরাসি কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নৌকাডুবির ঘটনায় ৫০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন জানিয়েছেন, নৌডুবিতে যারা এখনো নিখোঁজ আছেন তাদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে। 

 

এদিকে নৌকাডুবিতে প্রাণহানির ঘটনাকে ‘ভয়ঙ্কর ও অত্যন্ত দুঃখজনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেত্তে কুপার।আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবারের আগপর্যন্ত চলতি বছর নৌকার করে যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর চেষ্টার সময় ৩০ জন অভিবাসী মারা গেছেন। যা ২০২১ সালের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

ওই বছর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

 

ইংলিশ চ্যানেল দিয়ে অবৈধ অভিবাসীরা যেন ফ্রান্স থেকে যুক্তরাজ্যে আসতে না পারেন সেজন্য সবসময় সচেষ্ট থাকার চেষ্টা করে দুই দেশের সরকার। কিন্তু তা সত্ত্বেও অভিবাসীদের এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা থামানো সম্ভব হচ্ছে না।