NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে ‘মিস্টার ভেটো’ হয়ে উঠবেন ট্রাম্প ওয়ানডে বিশ্বকাপ দেখতে এখনই ১২ কোটির বেশি আবেদন ৮৩২ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলায় অভিনেত্রীর নাম পোশাক কারখানা চালু রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হ্যালোইন উৎসবের ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বন্দুক হামলা, নিহত ৬ মার্কিন-দক্ষিণ কোরীয় মহড়া পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি : দাবি উত্তর কোরিয়ার ৩ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মেসির গোল, হেডে অ্যাসিস্ট যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা সরকারের : প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে ১৩৯ জন গ্রেফতার
Logo
logo
আলোচনাসভায় মোমেন

‘জি-২০ অংশীদারদের সঙ্গে একযোগে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি’


খবর   প্রকাশিত:  ১১ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৮:২৬ এএম

‘জি-২০ অংশীদারদের সঙ্গে একযোগে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি’

ঢাকা: নয়াদিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অংশগ্রহণ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের 'সোনালি অধ্যায়ে' আরেকটি পালক যোগ করবে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন সংকটের বহুমাত্রিক সমাধান পেতে আমরা জি-২০ অংশীদারদের সঙ্গে একযোগে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে 'জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন ঢাকা থেকে নয়াদিল্লি' শীর্ষক আলোচনাসভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এবং জি-২০ সম্মেলনে বাংলাদেশের শেরপা হিসেবে দায়িত্বরত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও জি-২০ এমপ্লয়ার অ্যাডভোকেট সেলিমা আহমেদ।

 

মোমেন বলেন, ভারতের প্রেসিডেন্সির অধীনে জি-২০ কর্তৃক বহুপক্ষীয়তার জন্য স্থিতাবস্থা আর টেকসই নয় বলে যে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তা একটি বড় পরিবর্তন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ বহু-স্টেকহোল্ডারের অংশগ্রহণের মাধ্যমে জি-২০ প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান ও অর্থবহ অবদান রাখতে পারে। প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং তিনি জি-২০-এর বিভিন্ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রকৃতি ও স্তর সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ২০১৬ ও ২০১৮ সালে যথাক্রমে জাপান ও কানাডায় জি-৭ আউটরিচ বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি সম্প্রতি জোহানেসবার্গে ব্রিকস আউটরিচ শীর্ষ সম্মেলনে আফ্রিকার বাইরে থেকে আমন্ত্রিত নেতাদের একজন হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন।

 

মোমেন বলেন, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে তার আসন্ন অংশগ্রহণের অর্থ হলো, সেখানে আমন্ত্রিত নেতারা জি-২০-এর মূল সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে অংশ নিতে পারবেন। আসন্ন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আমাদের মূল্যবোধভিত্তিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত।

এটি ভারতের জি-২০ প্রেসিডেন্সির কৃতিত্ব যে এটি গ্লোবাল সাউথের ইস্যুগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছে। যেখানে তারা ইচ্ছুক অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের ওপর নির্ভর করতে পারে।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, 'গ্লোবাল সাউথের বেশির ভাগ দেশকে নিছক প্রাপক বা ভোক্তা হিসেবে বিবেচনা করার মডেলের চেয়ে বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈচিত্র্যময় পুনর্বিশ্বায়নের জন্য ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর যে আহ্বান জানিয়েছেন তা আমি স্বীকার করি।

ভারতের জি-২০ প্রেসিডেন্সি কর্তৃক চিহ্নিত ছয়টি বিষয়ভিত্তিক অগ্রাধিকারের প্রতি বাংলাদেশ পুরোপুরি সম্পৃক্ত।

 মোমেন বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স, ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স এবং কোয়ালিশন ফর ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচারসের মতো বৈশ্বিক অংশীদারিতে যোগ দিয়েছি।

জাতীয় প্রেক্ষাপটে লাইফস্টাইল ফর এনভায়রনমেন্টের (এলআইএফই) মতো তার উদ্ভাবনী ধারণা গ্রহণের যোগ্যতা তারা দেখছেন।

 

তিনি বলেন, আমরা আশা করি, স্মার্ট সরকার ও অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভারতের আন্তর্চালিত ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো রপ্তানি থেকে শিক্ষা নেওয়া হবে। পরিবর্তে আমরা বিশ্বাস করি যে মহিলাদের নেতৃত্বাধীন উন্নয়নের বিষয়ে গ্লোবাল সাউথের বাকি অংশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি রয়েছে।

নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন, পরিবেশ ও সবুজ উন্নয়নের জন্য জীবনধারা এবং ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো বিষয়ে তিনটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।