NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা সব ধরনের প্রচার থেকে আড়ালে যাচ্ছেন আরিয়ানা গ্রান্ডে নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা
Logo
logo

প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচনের কথা বলেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার: ওবায়দুল কাদের


খবর   প্রকাশিত:  ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৭:১৬ এএম

প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচনের কথা বলেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার: ওবায়দুল কাদের

ঢাকা: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ ক্যাথেরিন কুকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৈঠকের বিষয়বস্তু সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো ব্রিটিশ হাইকমিশনার প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচনের কথা বলেছেন।

এছাড়া গুলশানের ভায়োলেন্স (উপ-নির্বাচন) নিয়েও কথা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীর সেতু ভবনের সম্মেলন কক্ষে বৈঠক শেষে তিনি কাদের এসব কথা বলেন।

ব্রিটিশ হাইকমিশনারের প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশার বিষয়ে ওবায়দুল কাদেরের জবাব কী ছিল- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রকে যা বলেছি, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে যা বলেছি, ব্রিটিশ হাইকমিশনারকেও তাই বলেছি। আমাদের বক্তব্য অভিন্ন। যেভাবে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে কথা বলেছি।”

ওবায়দুল কাদের বলেন, “আপনাদের (ব্রিটেন) নির্বাচন কীভাবে হয়, প্রধানমন্ত্রী কী পদত্যাগ করেন, হাউজ অব কমন্স কী বিলুপ্ত হয়- সেটা বলেছি।”

বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি অদ্ভুত ও উদ্ভট বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারে এমন ব্যবস্থা ছাড়া নির্বাচনে আসতে চায় না। তাদের হেরে যাওয়ার ভয় আছে। জনগণ যাকে ভোট দেবে, সেই ক্ষমতায় যাবে।

নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় কমিশন স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবে। আর সরকার রুটিন দায়িত্ব পালন করবে। তারা কোনও মেজর পলিসি ডিসিশন নিতে পারবে না, সেটা বাস্তবায়ন করতে পারবে না। আর্থিক, রেগুলেটরি, অনেক বিষয়ে কমিশন স্বাধীন হয়েছে।