NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২৬ | ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর কসোভোর প্রধানমন্ত্রীকে ডিম ছুড়ে মারলেন আইন প্রণেতা ইরান নিয়ে ‘নিম্নমাত্রার’ কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প ডিগবাজি খেয়ে থ্রো-ইন, সেই বলেই গোল—ভাইরাল ইরানি ডিফেন্ডার সুযোগ পেলে আবারও ‘দেবদাস’ হতে চান শাকিব নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন হলো প্রথম ‘সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড ২০২৬’ যুদ্ধবিরতির ৩০০ দিনে গাজায় নিহত তিনশ শিশু: ইউনিসেফ পাটওয়ারীর ওপর ‘আসল মার শুরুই হয়নি’: নিউইয়র্কে বিএনপি এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে জুলাই ঘিরে বিতর্ক, জুলাই-যোদ্ধা বহিষ্কার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে খুদে শিল্পী অনুশ্রী রায়ের স্বপ্নপূরণ
Logo
logo

সুদানে সেনাশাসন বিরোধী বিক্ষোভে গুলি, নিহত ৮


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০২:৩৯ পিএম

>
সুদানে সেনাশাসন বিরোধী বিক্ষোভে গুলি, নিহত ৮

সুদানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৮ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) আফ্রিকার এই দেশটিতে সেনাশাসন বিরোধী বিক্ষোভে গুলিবর্ষণের পর প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আট মাস আগে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সমাবেশ করতে বৃহস্পতিবার সুদানের রাস্তায় নেমে আসে হাজারও মানুষ। এসময় সেনাবাহিনীকে বেসামরিক সরকারের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ারও দাবি জানান তারা। অবশ্য এই বিক্ষোভ রুখতে কঠোর নিরাপত্তা পদক্ষেপ নেওয়াসহ যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ করে দেয় দেশটির সরকার।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারী একত্রিত হয়ে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী তাদেরকে বাধা দেয়। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও জলকামান ব্যবহার করে নিরাপত্তা কর্মীরা।

সংবাদমাধ্যম বলছে, নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান দিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে চাইলেও কাজ হয়নি। বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্টের প্যালেসের দিকে এগোতে থাকেন। তখন নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। তাতেই অন্তত আটজন বিক্ষোভকারী মারা যান।

সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে বলছে, সেনা-অভ্যুত্থানের তৃতীয় বর্যপূর্তি উপলক্ষে এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিল। স্বৈরাচারী নেতা ওমর আল-বাশিরের বিরুদ্ধে ছিল এই বিক্ষোভ। বিক্ষোভের ডাক দেওয়ার পরই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীরা যেন তাদের সংখ্য়াবৃদ্ধি না করতে পারে, তার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও খার্তুম ও তার পাশের দুই শহরে লাখখানেক বিক্ষোভকারী জমায়েত হন। সুদানের দু’টি বেসরকারি ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে নেট বন্ধের নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।