NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬ | ২০ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে ‘মিস্টার ভেটো’ হয়ে উঠবেন ট্রাম্প ওয়ানডে বিশ্বকাপ দেখতে এখনই ১২ কোটির বেশি আবেদন ৮৩২ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলায় অভিনেত্রীর নাম পোশাক কারখানা চালু রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হ্যালোইন উৎসবের ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বন্দুক হামলা, নিহত ৬ মার্কিন-দক্ষিণ কোরীয় মহড়া পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি : দাবি উত্তর কোরিয়ার ৩ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মেসির গোল, হেডে অ্যাসিস্ট যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা সরকারের : প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে ১৩৯ জন গ্রেফতার
Logo
logo

সুইডেনে কোরআন পোড়ানোয় ওআইসির সভায় বাংলা‌দে‌শের নিন্দা


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১২:১৩ পিএম

সুইডেনে কোরআন পোড়ানোয় ওআইসির সভায় বাংলা‌দে‌শের নিন্দা

অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশনের (ওআইসি) নির্বাহী কমিটির এক জরুরি বৈঠকে সম্প্রতি সুইডেনের স্টকহোমের একটি মসজিদের সামনে পবিত্র কোরআনের কপি পোড়ানোর ম‌তো ঘৃণ্য ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।

রোববার (২ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ‌্য জা‌নি‌য়ে‌ছে রিয়া‌দের বাংলা‌দেশ দূতাবাস।

দূতাবাস জানায়, গত ২৮ জুন ওআইসির জেদ্দার সদর দপ্ত‌রে সুইডেনে কোরআনের একটি কপি পোড়ানোর প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য নির্বাহী কমিটির এক জরুরি বৈঠক করে। সেখা‌নে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে মুসলমানদের পবিত্র মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় প্রতীকের অবমাননার এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডে তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বৈঠকে ওআইসিতে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাসের মিশন উপ-প্রধান মো. আবুল হাসান মৃধা যোগ দেন। তিনি ব‌লেন, সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের স্বার্থে এই ধরনের অযৌক্তিক উসকানি বন্ধ করার জন্য বাংলাদেশ আবারও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

সভায় ওআইসি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারকে এই ঘৃণ্য হামলার পুনরাবৃত্তি এবং পবিত্র আল কোরআনসহ অন্যান্য ইসলামিক প্রতীক ও পবিত্রতাকে অপমান করার সমস্ত প্রচেষ্টার নিন্দা জানায়।

ওআইসি জাতি, লিঙ্গ, ভাষা বা ধর্মের ভেদাভেদ ছাড়াই সবার জন্য মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি সার্বজনীন সম্মান ও পালনের জন্য জাতিসংঘের সনদের অধীনে সমস্ত রাষ্ট্র যে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে তা পুনর্ব্যক্ত করে।

সভায় ওআইসি এ ধরনের ঘৃণ্য কাজ সম্পর্কে সতর্ক করে, যা মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সম্প্রীতিকে ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি সহনশীলতা, সংযম প্রদর্শন ও চরমপন্থা প্রত্যাখ্যানের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে।