NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬ | ২০ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে ‘মিস্টার ভেটো’ হয়ে উঠবেন ট্রাম্প ওয়ানডে বিশ্বকাপ দেখতে এখনই ১২ কোটির বেশি আবেদন ৮৩২ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলায় অভিনেত্রীর নাম পোশাক কারখানা চালু রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হ্যালোইন উৎসবের ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বন্দুক হামলা, নিহত ৬ মার্কিন-দক্ষিণ কোরীয় মহড়া পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি : দাবি উত্তর কোরিয়ার ৩ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মেসির গোল, হেডে অ্যাসিস্ট যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা সরকারের : প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে ১৩৯ জন গ্রেফতার
Logo
logo

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ‘কোর ব্যারেল’ স্থাপন


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৩:৩৯ পিএম

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ‘কোর ব্যারেল’ স্থাপন

ঢাকা: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট জ্বালানি লোডের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রথম ইউনিটে স্থাপিত হয়েছে কোর ব্যারেল। রিয়্যাক্টরের অভ্যন্তরে যেসকল গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি থাকে তার ভেতর কোর ব্যারেল অন্যতম একটি।

আজ মঙ্গলবার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকারী রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রোসাটমের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোর ব্যারেলের ভেতরে স্থাপিত হয় জ্বালানি এসেম্বলি এবং ব্যাফেল। ফুয়েল এসেম্বলিতেই সংগঠিত হয় পারমাণবিক বিক্রিয়া। কোর ব্যারেলের নিচের অংশে অনেকগুলো ছিদ্র থাকে, যাতে কুল্যান্ট বা শীতলকারী পদার্থের (বিশেষভাবে মিনারেলমুক্ত পানি) ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে জ্বালানি রডের বহিরাবরণকে শীতল রাখতে পারে। কোর ব্যারেলটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে কুল্যান্টের প্রবেশ ও বহির্গমন আলাদা থাকে।

এটি রিয়্যাক্টর প্রেসার ভেসেলকে নিউট্রন এবং গামা রেডিয়েশন থেকে সুরক্ষা দিয়ে থাকে। 

 

বিশেষ ধরনের স্টেইনলেস স্টিল দিয়ে তৈরি কোর ব্যারেলটি রিয়্যাক্টরের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটির ওজন ৭৩.৭৪ টন, দৈর্ঘ্য ৩৫.৬৬ ফুট, এবং ব্যাস ১১.৮৪ ফুট।

রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় ঈশ্বরদীর উপজেলার রূপপুরে নির্মাণাধীন দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বর্তমানে বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদনক্ষমতা দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। প্রতিটি ইউনিটে স্থাপিত হবে সর্বাধুনিক ৩+ প্রজন্মের রুশ ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর, যেগুলো সকল আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চাহিদা পূরণে সক্ষম। রোসাটমের প্রকৌশল শাখা জেনারেল ডিজাইনার ও কন্ট্রাক্টর হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।