২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৬৫ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করার সুপারিশ করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বৈঠকে জানানো হয়, ২০১০ সালে জামুকা গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত ১৮ হাজার ৪১৭ জনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭৬৮ জন শহীদ, ১৯৮ জন যুদ্ধাহত, ৫২৯ জন বীরাঙ্গনা এবং ১৬ হাজার ৯২২ জন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা।

জামুকার কার্যক্রম সম্পর্কে বৈঠকে আরো জানানো হয়, বীরাঙ্গনা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য ২২২টি আবেদন বর্তমানে অপেক্ষমাণ রয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে গঠিত উপকমিটির যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সুপারিশ পাওয়া ১০৪ জন মুক্তিযোদ্ধার গেজেটভুক্তিও অপেক্ষমাণ।

এ ছাড়া ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে করা ২০২টি আবেদন শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

 

সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জামুকা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।

কমিটির সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ফজলুর রহমান, আব্দুল হান্নান, আমীর এজাজ খান ও রোকেয়া বেগম উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে জামায়াতের অনুরোধে কমিটির সদস্য ও জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।