NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মে ২, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টা, মাত্র ৪ সেকেন্ডে নিরাপত্তা বলয় ভাঙার ভিডিও প্রকাশ গ্লোবাল অ্যানিমে অ্যাওয়ার্ডস সঞ্চালনা করবেন রাশমিকা সংসদ সচিবালয় কমিশনের বৈঠকে ২৯০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন আরএমটিপি প্রকল্পে ৭ লাখের বেশি পরিবারের জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন ইরান যেন পারমাণবিক শক্তিধর না হয়, রাজা চার্লসও তাতে একমত : ট্রাম্প
Logo
logo

যারা ভোট ডাকাত ছিল তারাই এখন গণতন্ত্র চায় : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৮:৫২ পিএম

যারা ভোট ডাকাত ছিল তারাই এখন গণতন্ত্র চায় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা ভোট ডাকাত ছিল তারাই এখন গণতন্ত্র চায়, ভোটের অধিকারের কথা বলে, যাদের জন্ম হয়েছে অবৈধভাবে তাদের কাছ থেকে শুনতে হয় এই সমস্ত কথা! মাঠের কথা মাঠে থাকবে, আমরা জনতার সঙ্গে থাকব। জনতার পাশে থাকব। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করব, জনগণের জন্য কাজ করব।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে বুধবার (১৭ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রীকে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি টিম শুভেচ্ছা জানাতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলে, ভোটের অধিকার নিয়ে কথা বলে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার কবে ছিল?  নানা পদক্ষেপের ফলে, বিভিন্ন সংস্কার করে করে নির্বাচন পদ্ধতিটাকে একটা গণমুখী করেছে আওয়ামী লীগ। ভোট সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করেছে। আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব এ স্লোগান দিয়ে মানুষকে যে ভোটের সম্পর্কে সচেতন করা, এটা আওয়ামী লীগই করেছে। এটা আর কারও না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যেখানে ভুয়া ভোট দিয়ে ভোটার তালিকা হতো, সেখানে ছবিসহ ভোটার তালিকা, আইডি কার্ড, যতটুকু সংস্কার, মানুষের আস্তা বিশ্বাস অর্জন, এগুলো তো আওয়ামী লীগই করেছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সও করে দিয়েছি আমরা। তারপরও কেউ যখন গণতন্ত্র, নির্বাচন ও ভোট নিয়ে ছবক দিতে আসে আমাদের, সেখানে বলার কিছু থাকে না।

শেখ হাসিনা বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ করার ঘোষণা দিয়ে সেটি কার্যকর করতে কাজ করে যাচ্ছি। যারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বা যারা জাতির পিতাকে হত্যা করেছে, আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে তাদের ষড়যন্ত্র চলতেই থাকবে। আমাদের অর্জন নস্যাৎ করতে চায় তারা। উদ্দেশ্যে যদি সততা সঙ্গে হয়, তাহলে যে কোনো জায়গায় সাফল্য আনতে পারে। এই কথাটা সবসময় মনে রাখি। লক্ষ্য একটাই এদেশে মানুষের জীবনটা উন্নত করা। তাদের ভাগ্যটা পরিবর্তন করা। কারণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চেয়েছিলেন দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে। সেই হাসি ফোটানোটাই একমাত্র কর্তব্য। সেটা আমরা করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, আজকে যখন ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ঘর দিই, সেই ঘর পাওয়ার পর তার যে মুখের হাসি ও চোখের পানি একাকার হয়ে যায়, আমার মনে হয় এর চেয়ে বড় পাওয়া বা সার্থকতা আর কিছু নেই। বাংলাদেশ অগ্রযাত্রাটা যেন অব্যাহত থাকে, তাই আমাদের প্রচেষ্টা হবে। জনগণের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করে তাদের ভোটের মাধ্যমে আমরা ক্ষমতায় এসেছিলাম। মানুষের আস্থা বিশ্বাসটা হচ্ছে আমাদের একমাত্র শক্তি। আর কোনো শক্তি নেই। বাংলাদেশের জনগণই হচ্ছে আওয়ামী লীগের একমাত্র বন্ধু, এটা মনে রাখতে হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, যেদিন ফিরে আসি সেদিন তো আর চেনা মুখগুলো পাইনি, কিন্তু পেয়েছিলাম এদেশের জনগণকে, আর আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মীকে, সেই থেকে আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ আর বাংলাদেশের জনগণ আমার পরিবার। আমি সেভাবেই নিয়েছি। আজকে আমি বলব, উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি এটাকে ধরে রেখে বাংলাদেশে এগিয়ে নিতে হবে। এই প্রতিজ্ঞা নিয়েই চলতে হবে। ধন সম্পদ কারো চিরদিন থাকে না। মরলে ওই মাটির নিচেই যেতে হবে। কোনো কিছুই সাথে নিয়ে যেতে পারে না। বেশি করলে বদনাম টাই সাথে নিয়ে যেতে হয়। কাজে সেটা যেন না হয়।