NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মে ২, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

পানির নিচে ৭৪ দিন কাটিয়ে রেকর্ড ভাঙলেন মার্কিন গবেষক


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৮:০৪ পিএম

পানির নিচে ৭৪ দিন কাটিয়ে রেকর্ড ভাঙলেন মার্কিন গবেষক

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: একে একে ৭৪ দিন পানির নিচে কাটিয়ে দিলেন মার্কিন এক গবেষক। কোনো ধরনের  বিষণ্ণতা ছাড়াই পানির নিচে দীর্ঘতম সময় পার করে রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। মার্কিন এই গবেষকের নাম জোসেফ দিতুরি। এই গবেষক ফ্লোরিডার কি লার্গোতে ৩০ ফুট পানির নিচে একটি হোটেল কক্ষে ৭৪ দিনের বেশি সময় থেকেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এখনো তার থামার পরিকল্পনা নেই। স্থানীয় সময় রবিবার তিনি বলেছিলেন, তিনি ‘জুলসের আন্ডারসি লজে’ কমপক্ষে ১০০ দিন থাকবেন। 

তিনি বলেন, ‘আবিষ্কারের কৌতূহল আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে। প্রথম দিন থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা, সাক্ষাৎকার নেওয়া সেই বিজ্ঞানীদের, যারা সমুদ্রের নিচের জীবন অধ্যয়ন করেন এবং জানেন কিভাবে মানবদেহ চরম পরিবেশে কাজ করে।’

এর আগে ২০১৪ সালে পানির নিচে ৭৩ দিন কাটিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রেরই দুই প্রফেসর। গবেষণাকাজের অংশ হিসেবে ফ্লোরিডার কি লার্গোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পানির নিচের একমাত্র হোটেল জুলস আন্ডার সি লজে বাস করছেন ৫৫ বছর বয়সী জোসেফ। ভূপৃষ্ঠের ৩০ ফুট নিচে অবস্থিত হোটেলটির আয়তন ১০০ বর্গফুট। পানির নিচেই ইন্টারনেট সেবাসহ মিলছে আধুনিক অনেক সুবিধা। 

জোসেফের এই গবেষণার নাম প্রজেক্ট নেপচুন হান্ড্রেড। দীর্ঘ এই সময়ে পানির নিচে শরীর কী প্রতিক্রিয়া জানায়, সেটাই পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ডা. জোসেফ বলেন, ভাবিনি রেকর্ড হবে। ভালো লাগছে, সম্মানিত বোধ করছি। তবে এখনো আমাদের অনেক দূর যেতে হবে। অনেক কাজ বাকি। এই গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানের সুফল আরো একবার মানুষকে দেখাতে চাই।

তিনি বলেন, এই সময়ে সত্যি বলতে আমি যা মিস করেছি তা হলো সূর্য। আমি সাধারণত পাঁচটায় জিমে যেতাম। সেখান থেকে বের হয়ে প্রতিদিনই সূর্যোদয় দেখতাম। প্রতিদিন জোসেফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। ডাঙায় ফিরলে হবে মানসিক পরীক্ষাও। গবেষকরা বলছেন, ভবিষ্যতে গভীর সমুদ্রে মানুষের মিশনকে আরো সহজ করতেই চলছে এই গবেষণা।

সূত্র : বিবিসি