দুই দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুক্তি পেল বহুল প্রতীক্ষিত সিক্যুয়াল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২’। ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ডলার বাজেটের এই চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে আয় করেছিল প্রায় ৩২৭ মিলিয়ন ডলার, যা এটিকে তৎকালীন সময়ের অন্যতম সফল কমেডি-ড্রামা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
সেই সফলতার পরও দীর্ঘ ২০ বছর সিক্যুয়ালের অপেক্ষায় ছিলেন ভক্তরা।
লরেন ওয়েইসবর্গারের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন কিস্তিও পরিচালনা করেছেন ডেভিড ফ্রাঙ্কেল। আগের ছবির ধারাবাহিকতায় এবারও থাকছে ফ্যাশন দুনিয়ার প্রতিযোগিতা, করপোরেট চাপ এবং ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েনের গল্প।
চলচ্চিত্রটির মূল আকর্ষণ হিসেবে ফিরে এসেছেন তিন জনপ্রিয় হলিউড তারকা—মেরিল স্ট্রিপ, অ্যান হ্যাথাওয়ে এবং এমিলি ব্লান্ট। এছাড়া অভিনয় করেছেন স্ট্যানলি টুচি, জাস্টিন থেরাক্স, কেনেথ ব্রানা এবং ট্রেসি থমস।
গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন উচ্চাকাঙ্ক্ষী সাংবাদিক অ্যান্ডি স্যাক্স, যার চরিত্রে অভিনয় করেছেন অ্যান হ্যাথাওয়ে। আগের সিনেমায় ফ্যাশন ম্যাগাজিন ‘রানওয়ে’-তে কাজ শুরু করা অ্যান্ডি এবার পদোন্নতি পেয়ে ফিচার সম্পাদক হয়েছেন।
এছাড়া এমিলি ব্লান্টের অভিনীত চরিত্র এমিলির সঙ্গে অ্যান্ডির পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবার আরও তীব্র ও নাটকীয় হয়ে উঠেছে। তাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব কখনও তৈরি করছে হাস্যরস, আবার কখনও জটিলতা।
মুক্তির আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং পশ্চিমা মিডিয়ায় সিনেমাটি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। বিশেষ করে মেরিল স্ট্রিপের বয়স, অ্যান হ্যাথাওয়ে ও এমিলি ব্লান্টের রসায়ন—সব মিলিয়ে দর্শকদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এই সিক্যুয়াল।
সবকিছু বিবেচনায় ধারণা করা হচ্ছে, আগের মতোই ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২’ও দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হবে।


