NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মে ২, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

ধনী রাষ্ট্রগুলোকে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান আইএমএফের


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৯:২৮ এএম

ধনী রাষ্ট্রগুলোকে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান আইএমএফের

একদিকে করোনা মহামারির ধকল কাটিয়ে আগের ছন্দে ফিরে আসার চেষ্টা করছে বিশ্বের অর্থনীতি, অন্যদিকে গুরুতর ঋণ সংকটে পড়ে দেউলিয়া হওয়ার পথে আছে স্বল্পোন্নত ব্লকভুক্ত অনেক দেশ। এই পরিস্থিতিতে ধনী দেশগুলোকে তাদের সংকটাপন্ন প্রতিবেশীদের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

বৃহস্পতিবার এক বক্তব্যে আইএমএফের শীর্ষ নির্বাহী ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেন, ‘টালমাটাল অর্থনীতির কারণে যেসব দেশের জন্য আইএমএফের ঋণের কিস্তি পরিশোধ দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে, তাদের পাশে বিশ্বের দক্ষ ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলোকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি আমরা। এটি একটি জরুরী আহ্বান।’

‘যদি সত্যিই এমনটা ঘটে— সেক্ষেত্রে দ্রুত বিশ্ব অর্থনীতির চিত্র বদলে যাবে বলে মনে করে আইএমএফ।’

এশিয়ার ২৫টি রাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার সমন্বয়ে গঠিত আন্তরাষ্ট্রীয় সংস্থা বোয়াও ফোরাম অব এশিয়ার সম্মেলন শুরু হয়েছে চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ হাইনানে। সেই সম্মেলনে অতিথি হিসেবে এসেছেন আইএমএফের শীর্ষ নির্বাহী। সেখানেই এসব কথা বলেছেন তিনি।

ইউরোপভিত্তিক অর্থনৈতিক ফোরাম দাভোসের এশীয় সংস্করণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এই বোয়াও ফোরাম অব এশিয়াকে। হাইনানে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত চলবে এই সম্মেলন।

সম্মেলনে ক্রিস্টিনা জর্জিয়েভা বলেন, অর্থনৈতিক অসমতার কারণে সামনের দিনগুলোতে বৈশ্বিক বাণিজ্যঘাটতি ৭ শতাংশে উন্নীত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। যদি সত্যিই এমন ঘটে— সেক্ষেত্রে তার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হবে স্বল্পোন্নত দেশগুলো।

বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি অতিদরিদ্র লোকজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত উল্লেখ করে আইএমএফ প্রধান বলেন, ‘করোনা মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গত তিন বছরে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ বিপন্ন অবস্থায় পৌঁছেছে। বিভিন্ন দেশের সরকারের উচিত, এই বিপন্ন লোকজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন করা।