NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মে ২, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

পাকিস্তান উস্কানি দিলে ভারত এখন আর বসে থাকে না: মার্কিন রিপোর্ট


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ নভেম্বর, ২০২৪, ০৫:২৩ এএম

>
পাকিস্তান উস্কানি দিলে ভারত এখন আর বসে থাকে না: মার্কিন রিপোর্ট

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা গতকাল বুধবার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্বসহ নানান বিষয় নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের আইনপ্রণেতাদের অবহিত করেন। গোয়েন্দারা ভারত-পাকিস্তান এবং ভারত-চীন নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, এ দেশগুলোর মধ্যে যে উত্তেজনা চলছে, এতে তাদের আশঙ্কা, পরমাণু শক্তিসমৃদ্ধ দেশগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগে যেতে পারে।

এছাড়া গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, বর্তমানে পাকিস্তান কোনো উস্কানি দিলে ভারতীয় সেনারা বসে থাকেন না। তারা অস্ত্রের মাধ্যমেই এর জবাব দেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনে জবাব দেওয়ার মানসিকতা বেড়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন তারা।

এ ব্যাপারে গোয়েন্দাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা বিশেষ উদ্বেগজনক। তবে বর্তমানে নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদ ‘২০২১ সালে লাইন অব কন্ট্রোলে নবায়নকৃত যুদ্ধবিরতি’ ও শান্ত পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রেই বেশি আগ্রহী।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘যদিও ভারত-বিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা করার লম্বা ইতিহাস রয়েছে পাকিস্তানের। তবে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আগের তুলনায় ভারত সামরিকভাবে পাকিস্তানের উস্কানির জবাব বেশি দেয়। কাশ্মীরের উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং ভারতের ওপর সশস্ত্র হামলার বিষয়টির সঙ্গে দুই দেশের উত্তেজনাকর মনোভাব দ্বন্দ্বের ঝুঁকি বাড়িয়েছে।’

এছাড়া ভারত-চীন সম্পর্কে নিয়ে নিজেদের মন্তব্য জানিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। তারা জানিয়েছেন, সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে ভারত ও চীন আলোচনা করেছে এবং এ বিষয়টি সমাধানও করেছে। কিন্তু ২০২০ সালে এ দুই দেশের সেনাদের মধ্যে যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে, সেই ঘটনার জেরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ‘আন্তরিকতাশূন্যই’ থেকে যাবে।