খবর প্রকাশিত: ০৮ মে, ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম

নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি-এর কার্যকরী কমিটি, বোর্ড অব ট্রাস্টি ও নির্বাচন কমিশনের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩ মে (রোববার) বিকেলে সোসাইটির নিজস্ব কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ। সভা যৌথভাবে পরিচালনা করেন সংগঠনের সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী।
সভায় কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ভুঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভুঁইয়া (রুমি), সাংগঠনিক সম্পাদক ডিউক খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অনিক রাজ, জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ, সাহিত্য সম্পাদক মোহাম্মদ আখতার বাবুল, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক আশরাফ আলী খান লিটন, স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান (জিলানী) এবং কার্যকরী সদস্য হারুনুর রশিদ, জাহাঙ্গীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মোহাম্মদ সিদ্দিক পাটোয়ারী, আবুল কাশেম চৌধুরী, মুনসুর আহমদ ও হাসান খান।

বোর্ড অব ট্রাস্টির সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাজী আজহারুল হক মিলন, আজিমুর রহমান বোরহান, আব্দুর রহিম হাওলাদার, ডা. এনামুল হক, জুনাইদ চৌধুরী, কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, আহসান হাবীব এবং নাঈম টুটুল। নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের, কমিশনার বদরুল এইচ খান, মিঠু হামিদ ও মিয়া মো. দুলাল। সভা শুরুর শুরুতেই নবগঠিত নির্বাচন কমিশনকে কার্যকরী পরিষদ ও বোর্ড অব ট্রাস্টির সদস্যদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেন সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম। এ সময় কমিশনের সদস্যদের হাতে নিয়োগ ও পরিচয়পত্র তুলে দেওয়া হয়।
পরিচয় পর্ব শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের তার বক্তব্যে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সংগঠনের গঠনতন্ত্র সমুন্নত রেখে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। এছাড়া অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররাও তাদের বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সদস্যরা নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে সংগঠনের সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।