NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মে ২, ২০২৬ | ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টা, মাত্র ৪ সেকেন্ডে নিরাপত্তা বলয় ভাঙার ভিডিও প্রকাশ গ্লোবাল অ্যানিমে অ্যাওয়ার্ডস সঞ্চালনা করবেন রাশমিকা সংসদ সচিবালয় কমিশনের বৈঠকে ২৯০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন আরএমটিপি প্রকল্পে ৭ লাখের বেশি পরিবারের জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন ইরান যেন পারমাণবিক শক্তিধর না হয়, রাজা চার্লসও তাতে একমত : ট্রাম্প
Logo
logo

ট্রাম্প মুখ ফেরালেও ইউক্রেনের পাশে ইউরোপীয় নেতারা


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৩২ এএম

ট্রাম্প মুখ ফেরালেও ইউক্রেনের পাশে ইউরোপীয় নেতারা

গেল সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যেভাবে ভলোদিমির জেলেনস্কিকে দেখা গিয়েছিল, তাতে অবাক হয়েছিলেন অনেকেই। বৈঠক চলাকালে ট্রাম্প-জেলেনস্কির উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতিকে ইঙ্গিত করে। যদিও ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতারা।

ঋণনীতি শিথিল করে প্রতিরক্ষা খাতে আরো অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি ইউক্রেনকে সহায়তার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইইউ রাষ্ট্রগুলো।

 

পশ্চিম ইউরোপের অধিকাংশ দেশই গত তিন বছর ধরে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য করে এসেছে।

ট্রাম্প হাত গুটিয়ে নেওয়ার কথা জানানোর পর সেই সহায়তায় আরো গতি আনতে চাইছে ইইউ। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) বৈঠকের পর ইইউভুক্ত ২৭টি রাষ্ট্র যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছে।

এতে বলা হয়েছে, ইউরোপের নিরাপত্তা জোরদার করতে ইইউ সদস্যরা মিলে ১৫ হাজার কোটি ইউরো ঋণ নেবে।

এর বড় অংশ ব্যয় হবে ইউক্রেনের সামরিক সাহায্যে। যদিও ভ্লাদিমির পুতিনের ‘ঘনিষ্ঠ’ হিসাবে পরিচিত হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট ভিক্টর অর্বান এই প্রস্তাব সমর্থন করেননি।

 

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে আয়োজিত বৈঠকের পর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ তাঁদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে দিয়ে বলেন, ‘ইউক্রেনে যা হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে ইউরোপের প্রতিরক্ষা বাড়াতেই হবে।’

জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ বলেন, ‘পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝেই ইইউ ঋণ নেওয়ার নিয়ম শিথিল করে প্রতিরক্ষা খাতে খরচ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা বলেন, ‘আমরা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেটাই পালন করছি। আমরা আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই।’