NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মে ২, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

কানাডার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা?


খবর   প্রকাশিত:  ২০ এপ্রিল, ২০২৫, ০৬:৫২ এএম

কানাডার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা?

সম্প্রতি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এর ফলে অবসান হচ্ছে তার দীর্ঘ নয় বছরের শাসন। ট্রুডো সরে দাঁড়ানোর পর পরবর্তী নেতা কে হবেন, না নির্বাচনে এরই মধ্যে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে দেশটির শাসক দল লিবারেল পার্টি। নেতৃত্বের দৌড়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। তারা হলেন-

ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড

লিবারেল সরকারের একজন পরিচিত মুখ, সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডকে ট্রুডোর প্রধান উত্তরসূরি হিসেবে ভাবা হচ্ছে। ইউক্রেনীয় বংশোদ্ভূত ফ্রিল্যান্ড কানাডার অর্থনীতিতে মহামারি-পরবর্তী পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সম্প্রতি প্রকাশ্যে ট্রুডোর সমালোচনা করে পদত্যাগ করেন ফ্রিল্যান্ড। এতে সরকারের ওপর চাপ বেড়ে গিয়েছিল।

 

মার্ক কার্নি

ব্যাংক অব কানাডা এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সাবেক গভর্নর মার্ক কার্নি নেতৃত্ব গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। জলবায়ু পরিবর্তন এবং অর্থনীতি বিষয়ে অভিজ্ঞ কার্নি রাজনীতিতে নতুন মুখ হলেও তার দক্ষতা তাকে নেতৃত্বের দৌড়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছে।

 

আনিতা আনন্দ

কানাডার বর্তমান পরিবহনমন্ত্রী আনিতা আনন্দ একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী নেতা হিসেবে পরিচিত। করোনাভাইরাস মহামারির সময় টিকা সংগ্রহে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাকে এই দৌড়ে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শাঁপেন

উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শাঁপেন একজন ব্যবসায়িক বিশেষজ্ঞ। কুইবেক প্রদেশ থেকে আসা এই নেতা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় ভূমিকা নিতে পারেন।

মেলানি জোলি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জোলি কানাডার কূটনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত একটি নাম। ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ভারত-কানাডা কূটনৈতিক সংকট মোকাবিলায় তার সক্রিয় ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।

 

ডমিনিক লেব্লাঁ

ট্রুডোর ঘনিষ্ঠ মিত্র ডমিনিক লেব্লাঁ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিক। দীর্ঘ দুই দশকের সংসদীয় অভিজ্ঞতা তাকে নেতৃত্বের জন্য যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

ক্রিস্টি ক্লার্ক

 

ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সাবেক প্রধান ক্রিস্টি ক্লার্ক ট্রুডোর অন্যতম সমালোচক হিসেবে পরিচিত। ফরাসি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তিনি জাতীয় নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

সূত্র: বিবিসি