NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, মে ১, ২০২৬ | ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টা, মাত্র ৪ সেকেন্ডে নিরাপত্তা বলয় ভাঙার ভিডিও প্রকাশ গ্লোবাল অ্যানিমে অ্যাওয়ার্ডস সঞ্চালনা করবেন রাশমিকা সংসদ সচিবালয় কমিশনের বৈঠকে ২৯০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন আরএমটিপি প্রকল্পে ৭ লাখের বেশি পরিবারের জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন ইরান যেন পারমাণবিক শক্তিধর না হয়, রাজা চার্লসও তাতে একমত : ট্রাম্প ক্রিপ্টোকারেন্সি ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুপ্ত’ খেলা চ্যাম্পিয়নস লিগ দ্বিতীয় লেগের আগে বিশাল ধাক্কা খেল পিএসজি
Logo
logo

সাত সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ১২:৫১ এএম

সাত সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ

চার দিনের মাথায় সাত সকালে আবারও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ। মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, ভূ-কম্পনটির উৎপত্তিস্থল চীনের তিব্বতে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ১।

 

ভূ-কম্পনটি বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল, ভারত, ভুটানে অনুভূত হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা  বলেন, আজ সকাল ৭টা ৫ মিনিটে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

 

তিনি আরও জানান, ঢাকা থেকে ৬১৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে চীনের একটি স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়। ভূ-কম্পনটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ১।

এর আগে ৩ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল চীনের জিজ্যাংয়ে (তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল)। উৎপত্তিস্থলে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

 

ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহ ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে। ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়া প্লেটের বিস্তৃতি এ অঞ্চলে। ইউরেশিয়া ও ইন্ডিয়ান টেকটোনিক প্লেটের ফল্টে বড় ধরনের আঘাতের কারণে এর আগেও এ অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। ২০১৫ সালে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল নেপাল। ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল আরও একটি শক্তিশালী আফটার শক হয়। ১৯৩৪ সালের পর নেপালে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প ছিল এটি। এতে ৮ হাজার ৬৬৯ জন নিহত হয়।। বহু স্থাপনা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।