NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, মে ১, ২০২৬ | ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টা, মাত্র ৪ সেকেন্ডে নিরাপত্তা বলয় ভাঙার ভিডিও প্রকাশ গ্লোবাল অ্যানিমে অ্যাওয়ার্ডস সঞ্চালনা করবেন রাশমিকা সংসদ সচিবালয় কমিশনের বৈঠকে ২৯০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন আরএমটিপি প্রকল্পে ৭ লাখের বেশি পরিবারের জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন ইরান যেন পারমাণবিক শক্তিধর না হয়, রাজা চার্লসও তাতে একমত : ট্রাম্প
Logo
logo

মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ১১:২৭ পিএম

মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শুক্রবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শোক প্রকাশের কথা জানানো হয়ে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ড. মনমোহন সিং প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।

শোক বার্তায় ড. মনমোহনকে সিং একজন নম্র ব্যক্তি, দূরদর্শী নেতা ও রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বর্ণনা করেছেন ড. ইউনূস।

তিনি ভারতের জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য তার অটল প্রতিশ্রুতির জন্য পরিচিত ছিলেন।

 

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ভারতের অর্থনৈতিক পরিবর্তনে তার অবদানের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্ব শুধু ভারতের ভবিষ্যত্ই গঠন করেনি বরং বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক উপকারী সহযোগিতার বন্ধনকে শক্তিশালী করতেও অবদান রেখেছে।

আঞ্চলিক সহযোগিতার উন্নয়নে ড. মনমোহন সিংয়ের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা।

তিনি প্রয়াত নেতা মনমোহনের দৃষ্টিভঙ্গি এবং আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতার অগ্রগতিতে ভূমিকার প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে তার চিন্তাধারার সমৃদ্ধ উত্তরাধিকার গড়ে তোলার জন্য এবং ড. মনমোহন সিংকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

প্রধান উপদেষ্টা ড. মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে তার অনেক লালিত ও মূল্যবান স্মৃতি স্মরণ করেন। ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উপলক্ষ্যে মনমোহন সিংয়ের পাঠানো উষ্ণ অভিনন্দন বার্তার কথা উল্লেখ করেন ড. ইউনূস।

তিনি ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে ড. মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠক এবং ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে দ্বিতীয় অধ্যাপক হিরেন মুখার্জি বার্ষিক সংসদীয় বক্তৃতা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণের কথাও স্মরণ করেন।

 

ড. ইউনূস বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ড. মনমোহন সিংয়ের পরিবার, সরকার এবং ভারতের জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।