NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, মে ১, ২০২৬ | ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টা, মাত্র ৪ সেকেন্ডে নিরাপত্তা বলয় ভাঙার ভিডিও প্রকাশ গ্লোবাল অ্যানিমে অ্যাওয়ার্ডস সঞ্চালনা করবেন রাশমিকা সংসদ সচিবালয় কমিশনের বৈঠকে ২৯০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন আরএমটিপি প্রকল্পে ৭ লাখের বেশি পরিবারের জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন ইরান যেন পারমাণবিক শক্তিধর না হয়, রাজা চার্লসও তাতে একমত : ট্রাম্প
Logo
logo

বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে যা বলল হোয়াইট হাউস


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০২:২৫ এএম

বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে যা বলল হোয়াইট হাউস

বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিষেবার সক্ষমতা বাড়াতে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা যোগাযোগ উপদেষ্টা জন কিরবি এ কথা বলেন।

জন কিরবি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়েছে। আমরা খুবই ঘনিষ্ঠভাবে বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি দেখছি এবং প্রেসিডেন্টও ঘনিষ্ঠভাবে ঘটনাগুলোর দিকে নজর রাখছেন।

 

ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রশ্ন করেন এক ভারতীয় সাংবাদিক। তিনি বলেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সারা দেশে বেশ কয়েকটি হিন্দু আমেরিকান দল প্রতিবাদ মিছিল করছে। এই সপ্তাহান্তে হোয়াইট হাউসের বাইরেও বিক্ষোভ হয়েছে। তারা শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে হিন্দুদের এবং মন্দিরের ওপর হামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে।

প্রেসিডেন্ট  (বাইডেন) কি এ বিষয়ে অবগত? জাতিসংঘে তার বন্ধু এবং অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করার সময় তিনি কি এই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেছিলেন?

 

জবাবে জন কিরবি বলেন, আমরা এটি খুব খুব ঘনিষ্ঠভাবে দেখছি এবং প্রেসিডেন্টও ঘনিষ্ঠভাবে ঘটনাগুলোর দিকে নজর রাখছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়েছে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তাদের আইন প্রয়োগকারী এবং নিরাপত্তা পরিষেবার সক্ষমতা বাড়াতে আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি।

তিনি আরো বলেন, আমরা সব বাংলাদেশি নেতার সঙ্গে যোগাযোগের সময়ও এ বিষয়ে খুব স্পষ্ট ছিলাম, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের নেতারা বারবারই ধর্ম বা জাতি-নির্বিশেষে সব বাংলাদেশিকে নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমরা তাদের এই কাজে সহায়তা করতে চাই।