NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ৩, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম হীরা আবিষ্কার বতসোয়ানায়


খবর   প্রকাশিত:  ২২ আগস্ট, ২০২৪, ০৯:২২ পিএম

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম হীরা আবিষ্কার বতসোয়ানায়

বতসোয়ানায় একটি হীরা আবিষ্কার করা হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত পাওয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম হীরা। এটি মোটামুটি দুই হাজার ৪৯২ ক্যারেটের একটি অমূল্য পাথর। কানাডীয় প্রতিষ্ঠান লুকারা ডায়মন্ডের মালিকানাধীন একটি খনি থেকে হীরাটি পাওয়া গেছে।

১৯০৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া তিন হাজার ১০৬ ক্যারেটের কুলিনান হীরার পর সবচেয়ে বড় আবিষ্কার এটি।

কুলিনান হীরাকে কেটে ৯টি পৃথক পাথরে রূপান্তরিত করা হয়েছিল, যাদের অনেকটিই ব্রিটিশ ক্রাউন জুয়েলসে রয়েছে।

 

বতসোয়ানার রাজধানী গ্যাবোরোনের প্রায় ৫০০ কিলোমিটার উত্তরে কারোই খনিতে হীরাটি পাওয়া গেছে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, এটি তাদের আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় হীরা। এর আগে তাদের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার ছিল এক হাজার ৭৫৮ ক্যারেটের একটি পাথর, যা ২০১৯ সালে একই খনিতে পাওয়া গিয়েছিল।

বতসোয়ানা বিশ্বের বৃহত্তম হীরা উৎপাদনকারী দেশগুলোর একটি। বিশ্বব্যাপী হীরা উৎপাদনের প্রায় ২০ শতাংশ এই দেশে হয়ে থাকে।

 

একটি বিবৃতিতে লুকারা জানিয়েছে, পাথরটি ‘এখন পর্যন্ত পাওয়া বৃহত্তম হীরাগুলোর মধ্যে একটি’। লুকারার প্রধান উইলিয়াম ল্যাম্ব বলেছেন, ‘এই অসাধারণ দুই হাজার ৪৯২ ক্যারেটের হীরাটি আবিষ্কার করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

 

এদিকে কম্পানিটি পাথরটির রত্নমান বা তার মূল্যের বিস্তারিত জানায়নি। ল্যাম্ব বলেছেন, লুকারার মেগা ডায়মন্ড রিকভারি এক্স-রে প্রযুক্তি ব্যবহার করে হীরাটি শনাক্ত করা হয়েছে। মাইনিংমক্স প্রকাশনার মতে, ২০১৭ সাল থেকে উচ্চমূল্যের হীরা শনাক্ত ও সংরক্ষণের জন্য এই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে আকরিক ভাঙার প্রক্রিয়ার সময় সেগুলো ভেঙে না যায়।