NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ৩, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

মার্কিন স্কলারশিপ পেতে জীবিত বাবার মৃত্যু সনদ, নির্বাসিত ভারতীয়


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ জুন, ২০২৪, ০৩:৫৯ এএম

মার্কিন স্কলারশিপ পেতে জীবিত বাবার মৃত্যু সনদ, নির্বাসিত ভারতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে আরিয়ান আনন্দ (১৯) নামের এক ভারতীয় শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে নির্বাসিত করা হয়েছে। ফুল স্কলারশিপ পেতে নথি জাল করার বিষয় প্রকাশ্যে আসার পর তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনন্দ  ‘মিথ্যার ওপর জীবন ও ক্যারিয়ার’ নামে রেডিটে এক পোস্টে বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন।

যদিও পোস্টটি পরে মুছে দেওয়া হয়েছে। তবে প্লাটফরমটির এক মডারেটর তা প্রকাশ করেন।

 

আনন্দ তার স্বীকারোক্তিতে কিভাবে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার ফল জাল করেছিলেন জানিয়েছেন। তিনি ফুল স্কলারশিপসহ মার্কিন কলেজে ভর্তি নিশ্চিতের জন্যও জালিয়াতির পথ বেছে নিয়েছিলেন।

এর জন্য তিনি নম্বরপত্র, আবেদনপত্র, এমনকি তার জীবিত বাবার মৃত্যু সনদও ছিল। পরে তিনি কলেজে ভর্তির পর স্বীকার করেন, পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে তিনি প্রচুর পরিমাণে মদ্যপানের দিকে ঝুঁকেছেন। তাই স্কলারশিপ পেতে তিনি এ প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন।

 

৬এবিসির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আনন্দকে দুই মাস আগে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর জালিয়াতি ও সেবা চুরির অপরাধে তাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনুরোধে তাকে বহিষ্কার করে ভারতে পাঠানো হয়।

 

লেহাই বিশ্ববিদ্যালয় এক বিবৃতিতে এ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের প্রশংসা করেছে।

৬এবিসি অনুসারে, নর্থহ্যাম্পটন কাউন্টির সহকারী জেলা অ্যাটর্নি মাইকেল ওয়েইনার্ট বলেছেন, রেডিটের ওই মডারেটর দেখেন, আনন্দ কেবল লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুসরণ করছিল। তাই তিনি লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই বিষয়টি শেয়ার করেন।

 লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্তের প্রশংসা করে ওয়েইনার্ট বলেন, তথ্য যাচাই অনেক চ্যালেন্জিং ছিল। কিন্তু লেহাই ও তাদের পুলিশ বাহিনী ঘটনার গভীরে গিয়ে তথ্য উদঘাটনের জন্য চমৎকার কাজ করেছে।