NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ৩, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

শেখ হাসিনা দেশ বিক্রি করে না: প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ জুন, ২০২৪, ১১:৪৮ এএম

শেখ হাসিনা দেশ বিক্রি করে না: প্রধানমন্ত্রী

সদ্য সমাপ্ত ভারত সফরের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মনে রাখতে হবে আমরা এই দেশ স্বাধীন করেছি। এক দেশের ভেতর অন্য দেশের ট্রানজিট দিলে কোনো ক্ষতি নেই। শেখ হাসিনা এই দেশকে বিক্রি করে না।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বেলা ১১টায় গণভবনে ভারত সফরের নানা দিক নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

 

বাংলাদেশের ভেতরে দিয়ে ভারতের রেল যোগাযোগ স্থাপন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘দেশ বিক্রি’ করে দেওয়ার সমালোচনা চলছে। এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, আমার একটা প্রশ্ন আছে, ওজনটা কীসে মাপছে? ওজন মাপা হচ্ছে কীভাবে? আগে তো পাল্লায় হতো, এখন মেশিনে মাপা হয়। এখন তাহলে কীভাবে বিক্রি হবে?

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ। মুক্তিযুদ্ধ করে এ দেশ আমরা স্বাধীন করেছি। যারা সমালোচনা করে তাদের জানা উচিত, একটি মাত্র মিত্র শক্তি আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ স্বাধীনে সহযোগিতা করেছে। পৃথিবীতে যারা মিত্র শক্তি যারা যুদ্ধে সহযোগিতা করে তারা কিন্তু ওই দেশ ছেড়ে যায়নি। এখনো জাপানে আমেরিকান সৈন্য, জার্মানিতে রাশিয়ান সৈন্য আছে।

এ প্রসঙ্গে সরকারপ্রধান বলেন, তবে ভারত কিন্তু ব্যতিক্রম। তারা মিত্র শক্তি হিসেবে আমাদের পাশে যুদ্ধ করে এসেছে। কিন্তু স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে ভারত সরকার তাদের সৈন্য ফেরত নিয়ে গেছেন। এরপরও যারা কথা বলে, ভারতের কাছে বিক্রি হয়ে যাবে তারা এ কথা বলে কীভাবে? আসলে যারা এ কথা বলে তারা নিজেরাই ভারতের কাছে বিক্রি করা।

এক দেশের ভেতর দিয়ে অন্য দেশের ট্রানজিট দিলে ক্ষতি কী, এ প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

 

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে রেল যেগুলো বন্ধ ছিল সেগুলো আস্তে আস্তে খুলে দিচ্ছি। রেল যোগাযোগ অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছে। আমরা বাংলাদেশে কি চারদিকে দরজা বন্ধ করে থাকবো? ইউরোপের দিকে তাকান, সেখানে কোনো বর্ডার নেই। সেখানে কি এক দেশ অন্য দেশ বিক্রি করে দিচ্ছে?

 

ভারত সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সফরে সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে আলোচনা হয়েছে।