NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ৩, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা: ২৩ মে পর্যন্ত ড. ইউনূসের জামিন


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ এপ্রিল, ২০২৪, ০৬:৪১ পিএম

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা: ২৩ মে পর্যন্ত ড. ইউনূসের জামিন

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের জামিনের মেয়াদ আগামী ২৩ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। অন্য তিনজন হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুর জাহান বেগম ও মো. শাহজাহান। এ মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল নিষ্পত্তি পর্যন্ত তাঁদের জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল।

আজ মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সে আবেদনে শুনানির পর ঢাকার শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) এম এ আউয়াল (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে আদেশ দেন।

 

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এমাদুল হক বশির। মামলার বাদি পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ হায়দার আলী।

 

 

গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ প্রতিষ্ঠানটির চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে ২০২১ সালে মামলা করেছিল কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। গত ১ জানুয়ারি ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানা এ মামলার রায় দেন। রায়ে ড. ইউনূসসহ চারজনকে দোষী সাব্যস্ত করে তাঁদের প্রত্যেককে শ্রম আইনের ৩০৩ ও ৩০৭ ধারায় ৬ মাসের কারাদণ্ডের সঙ্গে ৩০ জার টাকা জরিমানা করা হয়। তবে সেদিন তাঁদের জেলে যেতে হয়নি।

রায় ঘোষণার পর পরই জামিন আবেদন করা হলে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার শর্তে তাঁদের এক মাসের জামিন দেন বিচারক। এ জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করেন তাঁরা। 

 

গত ২৮ জানুয়ারি ইউনূসসহ দণ্ডিতদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তাঁদের ৩ মার্চ পর্যন্ত জামিন দেন। সেই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি পর্যন্ত রায়ের কার্যকারীতা স্থগিত করেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল। শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের দণ্ড স্থগিতের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর।

এ আবেদনে গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শুনানির পর রুলসহ আদেশ দেন হাইকোর্ট। গত ২৮ জানুয়ারি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের দেওয়া দণ্ড স্থগিতের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। চূড়ান্ত শুনানির পর গত ১৮ মার্চ রুল যথাযথ ঘোষণা করে রায় দেন উচ্চ আদালত। তার আগে গত ৩ মার্চ জামিনের মেয়াদ ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়ে আদেশ দেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল। সে ধারাবাহিকতায় তাঁদের নিয়মিত জামিন চেয়ে এ আদালতে আবেদন করা হয়।   

 

শুনানিতে আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন ড. ইউনূসসহ চার দণ্ডিতের নিয়মিত জামিন এবং তাঁদের মধ্যে একজনের বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চান। সেই সঙ্গে শ্রম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তাঁদের আপিল শুনানি মুলতবি চাওয়া হয়। বাদি পক্ষের আপত্তি না থাকায় আদালত শুনারি শুলতবি করে ২৩ মে পর্যন্ত তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন। 

আদেশের পর ড. ইউনূসের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আইন অনুসারে আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করলে নিয়মিত জামিন দেওয়া হয়। অন্য মামলায় এ বিধান অনুসরণ করা হলেও এ মামলায় তা হচ্ছে না।’ আদালত আগামী ২৩ মে পর্যন্ত জামিনের মেয়াদ বাড়িয়েছেন। সে পর্যন্ত আপিল শুনানি মুলতবি করা হয়েছে বলে জানান এই আইনজীবী।