NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ৩, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা দেশের মানুষকে আবার স্বাধীন করেছে : প্রধানমন্ত্রী তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু! দুই গণমাধ্যমের ওপর চরম খেপলেন ট্রাম্প নিজের কণ্ঠে অজানা সত্য বলবেন প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানা! ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান
Logo
logo

বাহরাইনের উপকূলে দুটি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষ, তদন্ত চলছে


খবর   প্রকাশিত:  ২১ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৩:১৪ পিএম

বাহরাইনের উপকূলে দুটি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষ, তদন্ত চলছে

বাহরাইনের একটি বন্দরে দুটি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের পর তদন্ত চলছে। যুক্তরাজ্যের রয়াল নেভি শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে শেয়ার করা ভিডিওতে মধ্যপ্রাচ্যের বন্দরের উপকূলে যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস চিডিংফোল্ড ও এইচএমএস ব্যাঙ্গোরের মধ্যে সংঘর্ষ হতে দেখা যায়। এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

তবে তদন্ত অব্যাহত থাকায় সংঘর্ষের প্রকৃতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অস্বীকার করেছে।

 

জাহাজ দুটি উপসাগরে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘস্থায়ী উপস্থিতির অংশ। রয়াল নেভি জানিয়েছে, দুটি জাহাজই মাইন সরাতে বিশেষজ্ঞ। তারা পানিপথে নিরাপদ বাণিজ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

 

এদিকে দুর্ঘটনার পর এইচএমএস ব্যাঙ্গোরের বাইরের অংশে একটি বড় গর্ত হয়েছে বলে ফুটেজে দেখে মনে হচ্ছে। তবে ফুটেজটির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এইচএমএস চিডিংফোল্ড জড়িত এমন ঘটনা এটিই প্রথম নয়। ২০২১ সালে বাহরাইনের উপকূলে এটি এইচএমএস ব্যাঙ্গোরের মতো একই শ্রেণিরর একটি জাহাজকে আঘাত করেছিল।

এইচএমএস ব্যাঙ্গোর আগামী বছর থেকে বাতিল হওয়ার কথা।

 

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বিবিসিকে বলেছেন, ‘বাহরাইনে দুটি যুদ্ধজাহাজ সম্পর্কিত একটি ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত। এর ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তদন্ত চলমান থাকায় আরো মন্তব্য করা অনুচিত হবে।’

অন্যদিকে রিয়ার অ্যাডমিরাল এডওয়ার্ড আহলগ্রেন জানিয়েছেন, সংঘর্ষের কারণ এখনো জানা যায়নি।

তিনি সংবাদ সংস্থা পিএকে বলেছেন, ‘আমরা আমাদের জনবলকে সর্বোচ্চ মানদণ্ডে প্রশিক্ষণ দিই এবং কঠোরভাবে যন্ত্রপাতি সুরক্ষা মান প্রয়োগ করি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই রকম ঘটনা ঘটতে পারে।’ 

 

একটি সম্পূর্ণ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত ‘ইতিমধ্যে চলছে’ জানিয়ে রিয়ার অ্যাডমিরাল আহলগ্রেন বলেছেন, ‘পরবর্তীতে এমন ঘটনা রোধ করতে পদ্ধতিতে যেকোনো পরিবর্তন দ্রুত কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্য এই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’