NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ৩, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা দেশের মানুষকে আবার স্বাধীন করেছে : প্রধানমন্ত্রী তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু! দুই গণমাধ্যমের ওপর চরম খেপলেন ট্রাম্প নিজের কণ্ঠে অজানা সত্য বলবেন প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানা! ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান
Logo
logo

মণিপুরে আট মাস আগে নিহত ৮৭ জনকে গণকবর


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০২:৫৫ এএম

মণিপুরে আট মাস আগে নিহত ৮৭ জনকে গণকবর

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্যে চলমান জাতিগত সংঘর্ষে নিহতদের গণকবর দেওয়া হয়েছে। কুকি-জো জাতিগোষ্ঠীর ৮৭ জনকে গণকবর দেওয়া হয়। গত ৩ মে থেকে মণিপুরে জাতিগত সহিংসতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা চুরাচাঁদপুরে তাদের সমাধিস্থ করা হয়।

গত রবিবার রাতে দুটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের পর চুরাচাঁদপুরে এখনো ১৪৪  ধারা জারি আছে।

 
কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। নিহত ৮৭ জনের সবাই কুকি-জো সম্প্রদায়ের অন্তর্গত। প্রায় আট মাস মর্গে থাকার পর  অবশেষে তাদের সমাধিস্থ করা হচ্ছে। দাফনে বিলম্ব হওয়ায় এই অঞ্চলে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
 
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর একইভাবে ১৯ জনকে গণকবর দেওয়া হয়।

 

মণিপুরে গত ৩ মে জাতিগত দাঙ্গা শুরুর পর এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে ১৮৭ জন নিহত হয়েছেন। বেসরকারিভাবে সংখ্যাটি অনেক বেশি। মণিপুরের তিনটি মর্গে পড়ে থাকা ৯৪টি মরদেহের মধ্যে ৮৮টি দুই সপ্তাহের মধ্যে সৎকার করতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট।

 
সেই সময়সীমা অবশ্য ১৩ ডিসেম্বর পেরিয়ে যায়। ৯৪টির মধ্যে ছয়টি দেহের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। 

 

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চ চলতি পরিস্থিতিতে নাগরিক সংগঠনগুলোর গণসৎকারের দাবি মানতে রাজি হয়নি প্রথমে। এতে রাজ্যে জাতিগত সংঘাত আরো বাড়তে পারে বলে বলা হয়। তারা জানায়, সরকারই নিহতদের সৎকার করবে।

 
কিন্তু সংঘর্ষে লিপ্ত কুকি এবং মেইতেই সম্প্রদায় দাবি করে, লাশগুলো তাদের সংগঠনের হাতে তুলে দিতে হবে। সরকারি সূত্রে জানা যায়, রাজ্য প্রশাসন দুই সম্প্রদায়ের দাবিই মেনে নিয়েছে পরে।