NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ৩, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা, টিকা ক্রয় পদ্ধতি বদল করে অন্তর্বর্তী সরকার জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প— ‘যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না’ ২০ বছর পর মুক্তি পেল ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়াল ইসরায়েলি কর্মকর্তার পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধানের শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মহান মে দিবস আজ এই চেয়ারে বসলে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি ‘তপ্ত হিট’ আসছে : প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর দাবি, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Logo
logo

শি-লুকাশেংকোর বৈঠক, ২ দেশের সম্পর্ক জোরদারের প্রশংসা


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:০২ এএম

শি-লুকাশেংকোর বৈঠক, ২ দেশের সম্পর্ক জোরদারের প্রশংসা

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ও বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার লুকাশেংকো তাঁদের নিজেদের দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের প্রশংসা করেছেন। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে সোমবার তাঁদের বৈঠক হয়। এক প্রতিবেদনে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

রাশিয়ার কট্টর মিত্র লুকাশেংকো গত রবিবার বেইজিংয়ে যান।

 
চলতি বছর বেইজিংয়ে লুকাশেংকোর দ্বিতীয় সফর এটি। তিনি অন্তত দুই দিন চীন সফর করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে চীনে গিয়েছিলেন তিনি।

 

চিনপিংকে লুকাশেংকো বলেন, ‘বেলারুশ চীনের নির্ভরযোগ্য অংশীদার ছিল, আছে ও থাকবে।

 
আমরা অনেক আগেই চীনের সঙ্গে মিত্রতা ও সহযোগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এই মিত্রতা ৩০ বছরের বেশি সময় পুরনো। এই মিত্রতার পথ কখনো বদলায়নি।’

 

অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারকারী সিসিটিভি অনুসারে, চিনপিং বলেছেন, লুকাশেংকোর সর্বশেষ সফরের পর থেকে দুই দেশের রাজনৈতিক পারস্পরিক বিশ্বাস ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরো শক্তিশালী হয়েছে।

 
চীন বেলারুশকে তার জাতীয় অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নের পথে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে এবং বেলারুশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে।

 

চীনা প্রেসিডেন্ট বলেছেন, চীন বেলারুশের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে, একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করতে এবং বাস্তবসম্মত সহযোগিতাকে উন্নত করতে ইচ্ছুক।

যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশের চাপ সত্ত্বেও বেইজিং প্রকাশ্যে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের নিন্দা জানায়নি। বেলারুশ রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তার জন্য রাশিয়ার ওপর অনেক বেশি নির্ভর করে।