যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর বিরোধিতা করেছে চীন।এ সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) হামলার ঘটনায়ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন। খবর আলজাজিরার

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেছেন, ‘এই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ায় এমন কোনো পদক্ষেপেরই বিরোধিতা করে চীন।

 

 

তিনি আরো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করা উচিত। পাশাপাশি বেসামরিক মানুষ ও অসামরিক স্থাপনাগুলোকে সুরক্ষা দিতে হবে।

লিন জিয়ান জানান, এখন সবচেয়ে জরুরি হলো দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা, যাতে সংঘাত আর না বাড়ে এবং যুদ্ধ ছড়িয়ে না পড়ে।

সোমবার ইউএই দাবি করে, ফুজাইরাহ তেল শিল্পাঞ্চলে আবারও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে।

 

 

 

গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটাই প্রথম এমন ঘটনা। তবে ইউএইর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তেহরান। 

ইরান বলেছে, তাদের বিরুদ্ধে আনা হামলার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মঙ্গলবার চীন সফরে যাচ্ছেন।

একই সঙ্গে চলতি মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও দেশটিতে সফরের কথা রয়েছে। 

 

তেহরান ও বেইজিংয়ের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে এই সফরটি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থানকালে আরাগচি তার চীনা উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

সেখানে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বিশেষ করে সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এই আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও শিগগিরই চীন সফরের কথা রয়েছে।

 

তিনি আগামী ১৪ মে থেকে শুরু হওয়া দুই দিনের এক শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।