ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সামরিক হামলার সম্ভাবনার পাশাপাশি তেহরানের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তিতে পৌঁছানোর পথও খোলা রেখেছেন তিনি।

 

 

হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শনিবার (২৪ অক্টোবর) ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, রবিবারের (২৫ অক্টোবর) মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে তিনি আরো বলেন, ‘এমনও সম্ভাবনা আছে যে আমাদের মধ্যে একটি চমৎকার ও সুন্দর চুক্তি হবে। তারা চুক্তি করতে চায়, কিন্তু বড় প্রশ্ন হলো তারা তা মেনে চলবে কি না।’
 

মধ্যপ্রাচ্যে নিজের প্রশাসনের সামরিক কৌশলের সমর্থন জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন নৌ ও বিমানবাহিনী ইরানে সফল অভিযান পরিচালনা করেছে।

তাদের অধিকাংশ যুদ্ধবিমান ও প্রায় ২৫৯টি জাহাজ ধ্বংস বা ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘ইরান এখন রেকর্ড মুদ্রাস্ফীতির মুখোমুখি।’

 

এদিকে, ওয়াশিংটনের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার বিনিময়ে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব সংক্রান্ত খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। ইরানি সংবাদ মাধ্যম ‘তাসনিম’-এর বরাতে জানানো হয়, পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কোনো ধরনের প্রস্তাব পাঠানো হয়নি।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত মার্কিন কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করার প্রক্রিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে তেহরান।

কিছু হামলার পরিকল্পনা ‘উন্নত পর্যায়ে’ পৌঁছে গেছে—এমন তথ্যের পর নিরাপত্তার স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি মার্কিন দূতাবাস থেকে কর্মী কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। একই সাথে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা এই অঞ্চলে হামলা আরো জোরদার করতে পারে বলেও নজরদারি বাড়িয়েছে ওয়াশিংটন।