NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

চরম অর্থ সংকটে পড়তে যাচ্ছে মার্কিন সরকার, কী প্রভাব পড়বে বিশ্বজুড়ে?


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৬:৫৮ এএম

চরম অর্থ সংকটে পড়তে যাচ্ছে মার্কিন সরকার, কী প্রভাব পড়বে বিশ্বজুড়ে?

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: চরম অর্থ সংকটে পড়তে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নেতৃত্বাধীন সরকার। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় সোমবার আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ঋণ সীমা বাড়ানো না হলো আগামী ১ জুন থেকেই এই অর্থ সংকটের ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে মার্কিন সরকারকে।

ঋণ সীমা না বাড়লে জুনের শুরু থেকেই সরকারি বেতন, বিলসহ অন্যান্য অর্থ দিতে পারবে না দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলোর মতো যুক্তরাষ্ট্রেও ঋণ সীমা নির্ধারণ করা আছে। এর বাইরে দেশটির সরকার ঋণ নিতে পারে না। স্বাস্থ্য খাত, সামরিক খাতসহ সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চালানোর জন্য মার্কিন সরকার ঋণ নিয়ে থাকে।

 

বর্তমানে দেশটির সরকারের ঋণ সীমা হল ৩১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার। যে সীমায় গত জানুয়ারিতেই পৌঁছে গেছে বাইডেন সরকার।  

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ঋণ সীমা বাড়ানোর জন্য কয়েকদিন ধরেই দৌড়ঝাঁপ করছে। কিন্তু এটি আটকে রেখেছে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির আইন প্রণেতারা। বর্তমানে দেশটির সংসদের নিম্নকক্ষ কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে রিপাবলিকান পার্টির হাতে। আর যেহেতু ঋণ সীমা বাড়াতে কংগ্রেসের অনুমোদন লাগবে। ফলে বিষয়টি ঝুলে গেছে।  

এ নিয়ে গত তিন সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো কংগ্রেসের কাছে চিঠি লিখেছেন অর্থমন্ত্রী জানেত ইয়েলেন। তৃতীয় চিঠিতে তিনি বলেছেন, জুনের শুরু থেকে সরকারি বেতনসহ অন্যান্য বিল দিতে হয়তবা সক্ষম হবেন না তারা। এ কারণে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

যদি ১ জুনের মধ্যে ঋণ সীমা বাড়ানো না যায় তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনও সরকার খেলাপি হবে।

এদিকে এ বিষয়টির ওপর বেশি সময় দিতে গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার অস্ট্রেলিয়া সফর স্থগিত করেন। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে কোয়াড নেতাদের সঙ্গে বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার।

সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, সোমবার ঋণ সীমা নিয়ে কংগ্রেসের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।

অর্থমন্ত্রী জানেত ইয়েলেন তার আগের চিঠিতে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যদি সরকার একবার খেলাপি হয় তাহলে ‘অর্থনীতির ওপর এর মারাত্মক’ প্রভাব পড়বে। বিশেষজ্ঞরাও জানিয়েছেন, যদি কোনও কথায় মার্কিন সরকার খেলাপি হয় তাহলে শুধু যুক্তরাষ্ট্রে নয় এর প্রভাব পড়বে পুরো বিশ্বে— যুক্তরাষ্ট্রে অসংখ্য মানুষ চাকরি হারাবেন, দেশটিতে অর্থনৈতিক মন্দা দেখে দেবে।

এমন আশঙ্কার মধ্যে অবশ্য আশার বাণী শুনিয়েছেন স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে তাদের ‘ইতিবাচক’ আলোচনা হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স