NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬ | ৭ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের জন্য ৮০০ কোটি ডলার জ্বালানি সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের সহিংস বিক্ষোভে টালমাটাল ফ্রান্স, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল পুলিশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে থাকতে পারে ভিএআর, উন্নত প্রযুক্তির বল ‘চিরকুট’ সিনেমায় মেহেদী-ঐশীর ‘রঙ্গিলা আসমান’
Logo
logo

ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১০:২৫ পিএম

ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ঢাকা: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ২০০৯ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন। ওয়াজেদ মিয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করবে।

ওয়াজেদ মিয়ার জন্ম ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার লালদিঘির ফতেহপুর গ্রামে। বাবা আবদুল কাদের মিয়া ও মা ময়েজুন্নেসার চার ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ।

মেধাবী শিক্ষার্থী ওয়াজেদ মিয়া ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন এবং ১৯৬২ সালে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি ফজলুল হক হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৯৬১-৬২ শিক্ষাবছরের জন্য হল ছাত্রসংসদের সহসভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন।

ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। মৃত্যুর পর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।

ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর জন্মস্থান লালদিঘি ফতেহপুর গ্রামে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, ড. ওয়াজেদ মিয়ার পরিবার, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন, ড. ওয়াজেদ স্মৃতি সংসদ, ড. ওয়াজেদ ফাউন্ডেশন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় স্মৃতিচারণা, ফাতিহা পাঠ, কবর জিয়ারত, মিলাদ মাহফিল ও গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।