NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী খাবারের ভ্যানে বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প! লোহিত সাগরে জাহাজে হুতির হামলায় নিহত ৩ হাইড্রেশন ব্রেক রেখে দিতে চায় ফিফা জ্যাকসন হাইটসে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হবে ১৫ আগস্ট বেলুচিস্তানের স্বঘোষিত স্বাধীনতা দিবস আজ: বিশ্বজুড়ে বেলুচদের নানা কর্মসূচি শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশসহ অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়ের শর্তে হরমুজ খোলার ঘোষণা ইরানের বিপুল ক্ষতির মুখে ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’
Logo
logo

চুল কেটে হিজাববিরোধী আন্দোলনে সমর্থন উর্বশীর


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০৯:৫৫ এএম

>
চুল কেটে হিজাববিরোধী আন্দোলনে সমর্থন উর্বশীর

মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর থেকে ইরান জুড়ে চলছে তীব্র প্রতিবাদ। সে দেশের নারীরা প্রকাশ্যে তাদের হিজাব খুলে ফেলছেন এবং সেগুলো পুড়িয়ে দিচ্ছেন। তাদের উপরেও চলছে অকথ্য অত্যাচার। এ অবস্থায় সারা পৃথিবীর অনেকেই ইরানের নারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও ফ্যাশন তারকা উর্বশী রাউতেলা। নিজের চুল কেটে তিনি অংশ নিয়েছেন এই প্রতিবাদে। রবিবার (১৬ অক্টোবর) এ বিষয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী।

সেখানে দেখা যায়, উর্বশীর চুল কাটছেন এক ব্যক্তি। ক্যাপশনে তিনি জানান, ইরানে যারা পোশাক স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করছেন এবং কিছুদিন আগে ভারতের উত্তরাখণ্ডে খুন হওয়া অঙ্কিতা ভান্ডারির জন্য তার এই প্রতিবাদ।

উর্বশী বলেন, ‘ইরানের নৈতিকতা পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর মৃত্যুবরণ করা মাহসা আমিনির জন্য যারা প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে মারা গেছেন, তাদের এবং পৃথিবীর সমস্ত নারীর সমর্থনে আমি আমার চুল কেটে ফেলছি; এবং উত্তরাখণ্ডের ১৯ বছর বয়সী তরুণী অঙ্কিতা ভান্ডারির জন্যও। ইরান সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে নারীরা তাদের চুল কেটে প্রতিবাদে সামিল হচ্ছেন। নারীদের সম্মান করো।’

এই প্রতিবাদকে নারী জাগরণের বৈশ্বিক প্রতীক বলে মনে করছেন উর্বশী। তার ভাষ্য, ‘চুলকে নারীর সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। প্রকাশ্যে সেই চুল কেটে ফেলার মাধ্যমে নারীরা বুঝিয়ে দিচ্ছে, সমাজের কথিত সৌন্দর্যের মানদণ্ডের পরোয়া করে না তারা; এবং কাউকে কিংবা কোনও কিছুকে তাদের পোশাক, আচরণ ও বেঁচে থাকার ওপর সিদ্ধান্ত নিতে দেবে না। এক নারীর ইস্যুকে যদি পুরো নারীজাতির ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করে সবাই একত্রিত হয়, তাহলে নারীবাদ নতুন প্রাণশক্তি পাবে।’

প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বরে মাহসা আমিনি নামের এক তরুণীকে গ্রেফতার করে ইরানের নৈতিকতা পুলিশ। যাদের কাজ নারীদের ধর্মীয় অনুশাসন অনুযায়ী পোশাক-আচরণ নিশ্চিত করা। তাদের অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন মাহসা। তিনদিনের মাথায় হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এরপরই প্রতিবাদের আগুন জ্বলে ওঠে। বিভিন্ন দেশের তারকারাও এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের আওয়াজ তুলছেন। কিছুদিন আগেই ইরানি বংশোদ্ভূত বলিউড অভিনেত্রী ইলনাজ নরৌজি প্রতিবাদ জানিয়েছেন ‘নগ্ন’ হয়ে।