NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী খাবারের ভ্যানে বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প! লোহিত সাগরে জাহাজে হুতির হামলায় নিহত ৩ হাইড্রেশন ব্রেক রেখে দিতে চায় ফিফা জ্যাকসন হাইটসে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হবে ১৫ আগস্ট বেলুচিস্তানের স্বঘোষিত স্বাধীনতা দিবস আজ: বিশ্বজুড়ে বেলুচদের নানা কর্মসূচি শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশসহ অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়ের শর্তে হরমুজ খোলার ঘোষণা ইরানের বিপুল ক্ষতির মুখে ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’
Logo
logo

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, সরানো হলো আমির-কিয়ারার বিজ্ঞাপন


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০২:১৪ এএম

>
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, সরানো হলো আমির-কিয়ারার বিজ্ঞাপন

বরাবরই ছক ভাঙতে ওস্তাদ বলিউড সুপারস্টার আমির খান। সিনেমা থেকে শুরু করে পণ্যের বিজ্ঞাপন— সবখানেই নতুনত্বের ছোঁয়া দিতে চান ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। সাম্প্রতিককালে সময়টা ভালো কাটছে না খান সাহেবের। ‘লাল সিং চাড্ডা’ বক্স অফিসে ব্যর্থ হলো। এরপর সরিয়ে নেওয়া হলো তার অভিনীত নতুন বিজ্ঞাপনও।

আমির-কিয়ারা জুটির প্রথম কাজ। আর শুরুতেই তাদের সঙ্গী বিতর্ক। যেখানে দেখানো হয়েছে, আমিরকে বিয়ে করে নিজের বাড়িতে এনেছেন কিয়ারা। অর্থাৎ কনে নয়, বিয়ের পর নিজের বাড়ি ছেড়ে এসেছেন বর। চিরাচরিত নিয়মের বাইরে গিয়ে ছক ভাঙার বার্তা দিয়েছে বিজ্ঞাপনটি। শুধু তাই নয়। দেখানো হয়েছিল, কিয়ারার অসুস্থ বাবার দেখাশোনার দায়িত্বও আমিরের।

কিয়ারা এবং আমির অভিনীত বিজ্ঞাপনটি নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। সমালোচনার তির ধেয়ে আসে দুই তারকার দিকেও। ব্যাংকিং সংস্থার বিজ্ঞাপনে হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে কাটাছেঁড়া কেন, প্রশ্ন তুলেছিলেন 'দ্য কাশ্মীর ফাইলস'-এর পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীও।

অবশেষে, নেটমাধ্যম থেকে সরিয়ে দিতে হলো আমির খান এবং কিয়ারা আদভানি অভিনীত ব্যাংকিং সংস্থার বিজ্ঞাপনটি। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভাবাবেগে আঘাত করেছে ওই বিজ্ঞাপন, এমনটাই অভিযোগ। ফলত চাপের মুখে পড়ে সেটি তুলে নিতে বাধ্য হয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপনে হিন্দু বিয়ের এই রীতি বদল অনেকেই ভালোভাবে নেননি। পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর প্রশ্ন, ‘আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না, ব্যাংকগুলো কবে থেকে সামাজিক এবং ধর্মীয় রীতি বদলের দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিল।’

যদিও অনেকেই মনে করছেন, সংকীর্ণ মানসিকতার কাছে পরাজয় স্বীকার করতে হচ্ছে মুক্ত চিন্তার প্রদর্শনকে। এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে দিন বদলের বার্তা দিয়েছিল ব্যাংকটি। কিন্তু জনরোষের মুখে পড়ে শেষমেশ পিছু হঠতে হয়েছে তাদের।