NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ২৯, ২০২৬ | ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্র বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ‘ধর্মীয় অবমাননা’র অভিযোগ, ১৫ দিন সম্প্রচার বন্ধ জিও নিউজের মরক্কোর বিস্ময়বালককে নিয়ে ইউরোপ জায়ান্টদের কাড়াকাড়ি ডেটিং অ্যাপে সঙ্গী খুঁজছেন রাকুল প্রীতের স্বামী? মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গ থেকে ফেলে দেওয়া হোক’ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনিজুয়েলা, মৃত্যু ১৪০০ ছাড়াল
Logo
logo

ধেয়ে আসছে বৈশ্বিক মন্দা: সতর্কবার্তা আইএমএফের


খবর   প্রকাশিত:  ০৭ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৩:১১ এএম

>
ধেয়ে আসছে বৈশ্বিক মন্দা: সতর্কবার্তা আইএমএফের

করোনা মহামারির ধাক্কা কমে যাওয়ার পর আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাব্য যে হার বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নির্ধারণ করেছিল, বাস্তবে তা অনেক কম হওয়ায় একটি বড় বৈশ্বিক মন্দা অবশ্যম্ভাবী বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় এ আশঙ্কা জানিয়েছেন আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। সভায় তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের শুরুতে আমরা আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলাম, বাস্তব বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তা এ পর্যন্ত তিন বার কমাতে হয়েছে।’

‘বিভিন্ন দেশ মহামারির প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেওয়ার পর চলতি ২০২২ সালের শুরুতে আমাদের আশা ছিল, আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির হার হবে অন্তত ৩ দশমিক ২ শতাংশ। কিন্তু গত কয়েক মাসের বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমরা এই লক্ষ্যমাত্রা তিনবার সংশোধন করেছি। এখন আমরা ধারণা করছি, আগামী বছরের শুরুতে প্রবৃদ্ধির হার থাকবে ২ দশমিক ৯ শতাংশ।’

‘বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতোমধ্যে মন্দাভাব শুরু হয়েছে এবং দিন দিন তার ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা দেখছি, একদিকে ডলারের মূল্য বাড়ছে, আবার অন্যদিকে জ্বালানি তেলের বাজারে ইতোমধ্যে মন্দা শুরু হয়ে গেছে। তেলের দাম কমতে থাকলেও ডলারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় অনেক দেশ তেল কিনতে পারছে না।’

‘ফলে পৃথিবীজুড়ে অর্থনীতির চাকা ঠিকমতো সচল হচ্ছে না। যদি এই অবস্থা চলতে থাকে তাহলে আগামী দুই বছর বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ দেশের অর্থনীতির সংকোচন অব্যাহত থাকবে।’

‘ফলে আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে বৈশ্বিক উৎপাদন কমবে প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ; এবং এই ঘাটতি খুব দ্রুত পূরণ সম্ভব হবে বলে আমাদের মনে হচ্ছে না।’