NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ১৭, ২০২৬ | ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
একটি মহল রাজনীতির নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী চীনা উপহার ফেলে দিল মার্কিন প্রতিনিধিদল—কী বলছে ফ্যাক্ট চেক? যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী চেলসিকে হারিয়ে এফএ কাপ শিরোপা ম্যান সিটির একমাত্র পরীমনি ছাড়া সবার চেহারাই সার্জারি করা : তমা মির্জা আজ চাঁদপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, অংশ নেবেন যেসব কর্মসূচিতে মারা গেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার অচলাবস্থা কাটেনি, ট্রাম্প-শি বৈঠকের পর ইউরোপীয় শেয়ারবাজারে বড় পতন বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম শোতে মঞ্চ মাতাবেন শাকিরা-ম্যাডোনা-বিটিএস সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স-এর সমর্থন পেলেন শামসুল হক
Logo
logo

পর্যাপ্ত অর্থায়ন না পেলে এসডিজি অর্জন করা যাবে না


খবর   প্রকাশিত:  ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০৪:৩৭ এএম

>
পর্যাপ্ত অর্থায়ন না পেলে এসডিজি অর্জন করা যাবে না

পর্যাপ্ত অর্থায়ন না পেলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করা যাবে না এবং এগুলোর বাস্তবায়ন অসমাপ্ত থেকে যাবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, এসডিজিগুলো বাস্তবায়ন বিশ্বব্যাপী ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে কারণ বর্তমানে উন্নয়ন সহযোগীরা প্রস্তাবিত চাহিদার মাত্র তিন শতাংশ তহবিল দিচ্ছে। 

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ আয়োজিত ‘এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের যাত্রা : আলোচনা থেকে বাস্তবায়ন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ধারণা অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী এসডিজি অর্জনের জন্য প্রতি বছর ৩ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন থেকে ১১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন।

তবে বর্তমানে, উন্নয়ন সহযোগীরা বছরে গড়ে ১৫৬ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে যা প্রস্তাবিত এসডিজি বাস্তবায়ন চাহিদার প্রায় ৩ শতাংশ। তিনি এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং অর্থায়নকে এসডিজি বাস্তবায়নের এক নম্বর চ্যালেঞ্জ হিসাবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতি যখন মহামারি, ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে, তখন এসডিজিগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নের ঘাটতি ইতোমধ্যে আরো বেড়ে গেছে। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে উন্নয়নশীল বিশ্বে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসব বিষয়গুলোর মধ্যে জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, বৈশ্বিক খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল করা।

তিনি বলেন, দেশগুলোকে তাদের কষ্টার্জিত উন্নয়ন সাফল্যগুলোর স্থায়িত্ব নিশ্চিতে একটি সংকট প্রশমন ও সহনশীলতা গড়ে তোলা তহবিল গঠন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সময় সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামাল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।