NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬ | ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বাবা-মায়ের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা যুক্তরাষ্ট্রে দুই মন্ত্রীর পদত্যাগের গুঞ্জন, হোয়াইট হাউস বলছে গুজব বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে পোস্ট, তিন কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেপ্তার ওভাল অফিস পরিবর্তনের পথ বন্ধ করতে ট্রাম্পের আদেশ সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে : প্রধানমন্ত্রী বিক্ষোভের ঢেউয়ে টালমাটাল ফ্রান্স, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মরিয়া ম্যাখোঁ ৮ কোটি মিসরীয় থাকতে কেন ভারতীয়কে বিয়ে করলেন আল-সায়েদ বেঞ্চে বসা থেকে বিদায়ের ঘোষণা, রোনালদোর ৪০ দিনের নাটকীয় অধ্যায় জামিনের পর ‘অশালীন ভাষায়’ দুই শব্দের পোস্ট পরীমনির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ভ্যান্সের নজর কি ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকে


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১১ এএম

ভ্যান্সের নজর কি ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকে

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুধবার ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য তিনি সরাসরি ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন।

 

তার এই বক্তব্যকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন অনেকে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভ্যান্সের অবস্থান নিয়ে ওয়াশিংটনে আগে থেকেই আলোচনা ছিল। প্রকাশ্যে তিনি বারবার এই যুদ্ধের প্রতি সমর্থন জানালেও, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈঠকে তিনি এর বিরোধিতা করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এত দিন তার এই মতপার্থক্যের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসেনি।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া প্রায় ৬০০ শব্দের এক বিবৃতিতে ভ্যান্স এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। 

 

তিনি লেখেন, ‘আপনি যদি মনে করেন, আগামী ছয় বছরের জন্য সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানোর বিনিময়েও এই যুদ্ধের মূল্য দেওয়া সার্থক হয়েছে, তাহলে সরাসরি সেটাই বলুন।’ তার এই বক্তব্যকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন অনেকে।

তিনি আরো লেখেন, ‘যুক্তি দিয়ে বোঝান, কেন এই মূল্য দেওয়া যৌক্তিক ছিল।

আপনি একমত হোন বা না হোন, অন্তত সেটি হবে সৎ অবস্থান।’ ভ্যান্সের এই বক্তব্যকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন নজির খুব কমই আছে, যেখানে দায়িত্বে থাকা কোনো ভাইস প্রেসিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সরাসরি প্রেসিডেন্টের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।

 

তবে এরপর আরো বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। সাধারণত নিজের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য প্রত্যাশা করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।