যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কখনোই আত্মসমর্পণ নয়’ বার্তা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (স্থানীয় সময়) হোয়াইট হাউসের এক্স অ্যাকাউন্টে ট্রাম্পের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়।
খবর প্রকাশিত: ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:১১ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কখনোই আত্মসমর্পণ নয়’ বার্তা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (স্থানীয় সময়) হোয়াইট হাউসের এক্স অ্যাকাউন্টে ট্রাম্পের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়।
ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই নিউজ জানায়, নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির বড় জয়ের পর চাপে রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং সরকারের বিভিন্ন নীতি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে রিপাবলিকান পার্টি। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের পূর্বাভাস বলছে, কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ আবারও ডেমোক্র্যাটদের হাতে যেতে পারে।
বুধবার এর আগে ট্রাম্প স্বীকার করেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্যের সঙ্গে তিনি একমত হন। ভ্যান্স বলেছিলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে ভোটারদের মধ্যে রিপাবলিকান পার্টির সমর্থন কমেছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ভ্যান্সের বক্তব্য ‘অনেকটাই সত্য’।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয়, কথাটি অনেকটাই সত্য। কারণ, এর ফলে স্বল্প সময়ের জন্য পেট্রলের দাম কিছুটা বেড়েছিল। তবে একই পরিস্থিতি আবার তৈরি হলে আমি একই সিদ্ধান্ত নিতাম।
নিজের জনপ্রিয়তা নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তার দাবি, ব্যক্তিগতভাবে তার জনপ্রিয়তা থাকলেও তা রিপাবলিকান প্রার্থীদের জয় এনে দিতে পারেনি। নির্বাচনী জনসভায় বিপুল মানুষের উপস্থিতি থাকলেও অন্য প্রার্থীদের পক্ষে সেই সমর্থন কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি যদি নির্বাচনে প্রার্থী হতাম, তাহলে আমরা জিততাম। আপনারা দেখেছেন, কত মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। হাজার হাজার মানুষে জনসভাগুলো ভরে গিয়েছিল। কিন্তু মানুষের সেই ভালোবাসা অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি।’
তবে ভোটারদের অসন্তুষ্টির জন্য যুদ্ধের চেয়ে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়াকেই বেশি দায়ী করেছেন ট্রাম্প। এ সময় তিনি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবারও তেল পরিবহন শুরু হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন।
অন্যদিকে, ভ্যান্স রিপাবলিকান পার্টির পরাজয়ের প্রধান কারণ হিসেবে ইরান যুদ্ধকে চিহ্নিত করেছেন। দলের অভ্যন্তরীণ জনমত জরিপের তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, যুদ্ধ, মূল্যস্ফীতি, ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।