Shibbir Ahmed প্রকাশিত: ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:০৯ এএম

শিব্বীর আহমেদ: একটি স্বাধীন দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার শিশুরা। আজকের শিশু শুধু একটি পরিবারের সন্তান নয়—সে আগামী দিনের নাগরিক, শ্রমশক্তি, নেতৃত্ব এবং রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ। একটি শিশুর চোখে যে স্বপ্ন জন্ম নেয়, তার মধ্যেই আসলে একটি দেশের আগামী দিনের ছবি আঁকা থাকে। কিন্তু সেই শিশুরাই যখন একে একে হারিয়ে যেতে থাকে, তখন প্রশ্নটি আর কেবল একটি পরিবারের থাকে না; প্রশ্নটি হয়ে ওঠে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, সমাজের দায়িত্ব এবং আমাদের সম্মিলিত বিবেকের।
বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় বিপুলসংখ্যক সাধারণ ডায়েরি বা জিডি হওয়ার তথ্য সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে প্রকাশিত তথ্যে চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় প্রায় ১৬ হাজার জিডির কথা সামনে এসেছে। সংখ্যাটি নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি—এগুলো নিখোঁজ-সংক্রান্ত জিডির সংখ্যা; এর অর্থ এই নয় যে সমসংখ্যক শিশু এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, জিডির সংখ্যা এবং প্রকৃতপক্ষে কতজন শিশু এখনো পরিবারের কাছে ফিরে আসেনি—এই দুটি বিষয় এক নয়। অনেক শিশু হারিয়ে যাওয়ার পর পরিবারের কাছে ফিরে আসে, কিন্তু সেই তথ্য সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয় না কিংবা পূর্বের জিডি আনুষ্ঠানিকভাবে হালনাগাদ করা হয় না। ফলে পুলিশের নথিতে একটি নিখোঁজের ঘটনা থেকে গেলেও বাস্তবে শিশুটি হয়তো ইতিমধ্যেই পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে।
কিন্তু এখানেই সংকটের সবচেয়ে গভীর জায়গাটি লুকিয়ে আছে। কত শিশু নিখোঁজ হয়েছে—এই প্রশ্নের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, কত শিশু ফিরে এসেছে এবং কত শিশু এখনো ফেরেনি? রাষ্ট্রের কাছে যদি এই প্রশ্নের একটি নির্ভুল, সমন্বিত ও নিয়মিত হালনাগাদ উত্তর না থাকে, তাহলে শিশু নিখোঁজের প্রকৃত চিত্রও আমাদের কাছে স্পষ্ট হবে না। আর যে সংকটের সঠিক হিসাব নেই, সেই সংকট মোকাবিলার কার্যকর পরিকল্পনাও তৈরি করা কঠিন।
একটি শিশু হারিয়ে গেলে তার পরিবার যে যন্ত্রণা অতিক্রম করে, তার কোনো পরিসংখ্যান হয় না। একটি মা সন্তানের ছবি হাতে নিয়ে থানার দরজায় দাঁড়ান। একজন বাবা রাস্তায় রাস্তায় খোঁজেন। প্রতিটি ফোনকল হয়ে ওঠে আশার আলো, আবার কখনো ভয়াবহ আতঙ্কের কারণ। দরজায় সামান্য শব্দ হলেই মনে হয়—হয়তো সন্তান ফিরে এসেছে। দিন যায়। রাত যায়। অপেক্ষা থেকে যায়। এই অপেক্ষার কোনো পরিমাপ নেই।
নিখোঁজ মানেই কি অপহরণ? শিশু নিখোঁজের প্রতিটি ঘটনা একই ধরনের নয়। কোনো শিশু জনাকীর্ণ স্থান থেকে পথ হারিয়ে ফেলতে পারে। কোনো কিশোর পারিবারিক অশান্তি, অভিমান কিংবা অতিরিক্ত শাসনের কারণে স্বেচ্ছায় বাড়ি ছেড়ে যেতে পারে। আবার কোনো কোনো ঘটনায় অপরাধ, অপহরণ কিংবা পাচারের মতো গুরুতর বিষয়ও থাকতে পারে। তাই প্রতিটি নিখোঁজের ঘটনাকে একই ছাঁচে বিচার করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি কোনো ঘটনাকে শুরুতেই সাধারণ বলে ধরে নেওয়াও বিপজ্জনক।
বিশেষ করে একটি শিশু যখন পরিবারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন প্রথম কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সেই সময়ে শিশুটি কোথায় গেছে, কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, কোন পথে চলেছে কিংবা কার সংস্পর্শে এসেছে—এসব তথ্য দ্রুত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা গেলে উদ্ধার অভিযান অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।
প্রযুক্তি এখানে রাষ্ট্রের বড় হাতিয়ার হতে পারে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ, মোবাইল যোগাযোগের তথ্য, ডিজিটাল অনুসন্ধান, পরিবহনব্যবস্থার নজরদারি এবং বিভিন্ন সরকারি তথ্যভান্ডারের সমন্বিত ব্যবহার একটি নিখোঁজ শিশুকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে পারে। কিন্তু প্রযুক্তি তখনই কার্যকর হবে, যখন তথ্যগুলো একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।
পাচারচক্রের অন্ধকার
শিশু নিখোঁজের সবচেয়ে ভয়ংকর সম্ভাবনাগুলোর একটি হলো মানবপাচার। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই মানবপাচারের ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি হিসেবে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে আলোচিত হয়ে আসছে। নারী ও শিশুরা এই অপরাধের বিশেষ ঝুঁকিতে থাকে। দারিদ্র্য, পারিবারিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক অসচেতনতা, নিরাপদ অভিভাবকত্বের অভাব এবং কর্মসংস্থানের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি—এসব দুর্বলতাকে কাজে লাগায় পাচারকারীরা।
একজন শিশুকে প্রলুব্ধ করার জন্য অনেক সময় বড় কোনো পরিকল্পনার প্রয়োজন হয় না। একটি মোবাইল ফোন, সামান্য অর্থ, চাকরির প্রতিশ্রুতি, খাবারের লোভ কিংবা পরিচিত কারও বিশ্বাস—যেকোনো কিছুই হতে পারে ফাঁদের শুরু। আর একবার একটি শিশু অপরাধী চক্রের নিয়ন্ত্রণে চলে গেলে তাকে খুঁজে বের করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। শিশু পাচার শুধু সীমান্ত পার হওয়ার গল্প নয়। দেশের অভ্যন্তরেও শিশুদের বিভিন্ন ধরনের শোষণের শিকার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই শিশু নিখোঁজের ঘটনাকে কেবল আইনশৃঙ্খলার বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে মানবপাচার, শিশুশ্রম, যৌন শোষণ, সংঘবদ্ধ ভিক্ষাবৃত্তি এবং অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত বৃহত্তর ঝুঁকির অংশ হিসেবে দেখতে হবে।
সবচেয়ে বড় দুর্বলতা—তথ্যের বিচ্ছিন্নতা
বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা নিয়ে সবচেয়ে জরুরি কাজগুলোর একটি হতে পারে একটি সমন্বিত জাতীয় তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা। একটি শিশু নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার নাম, বয়স, ছবি, পরিচয়, সর্বশেষ অবস্থান, পোশাক, যোগাযোগের তথ্য এবং ঘটনার বিবরণ একটি নিরাপদ কেন্দ্রীয় ব্যবস্থায় নথিভুক্ত হবে। শিশুটি উদ্ধার হলে সেই তথ্যও একই ব্যবস্থায় তাৎক্ষণিকভাবে হালনাগাদ করতে হবে। পুলিশ, সিআইডি, পিবিআই, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, হাসপাতাল, সমাজসেবা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট শিশু সুরক্ষা সংস্থাগুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য বিনিময়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা দরকার।
তবে এমন তথ্যব্যবস্থা তৈরি করতে গিয়ে শিশুর ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তাও নিশ্চিত করতে হবে। একটি নিখোঁজ শিশুকে খুঁজে পাওয়ার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, কিন্তু সেই প্রযুক্তিই যেন শিশুর পরিচয় বা ব্যক্তিগত তথ্যকে নতুন ঝুঁকিতে না ফেলে—সেদিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
দ্রুত সতর্কতা, দ্রুত উদ্ধার
বাংলাদেশে নিখোঁজ শিশুর ক্ষেত্রে দ্রুত জনসচেতনতা তৈরির জন্য আরও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশে জরুরি শিশু সতর্কতা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়, যার মাধ্যমে গুরুতর নিখোঁজের ঘটনায় দ্রুত বিপুলসংখ্যক মানুষের কাছে শিশুটির ছবি ও পরিচিতি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। বাংলাদেশেও পরিস্থিতি ও আইনগত কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এমন একটি জাতীয় শিশু সতর্কতা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা যেতে পারে।
কোনো শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর তার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া যেন কেবল পরিবারের ব্যক্তিগত উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে, বরং যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত সরকারি ব্যবস্থার অংশ হয়—এটি এখন সময়ের দাবি। গণমাধ্যমও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শিশুর ছবি, পরিচয় বা পরিবারের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার সীমা অতিক্রম করা যাবে না। শিশুকে খুঁজে পাওয়ার উদ্দেশ্যে সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে যেন তার নিরাপত্তা, মর্যাদা বা ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে স্পষ্ট নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।
পরিবারও দায় এড়াতে পারে না
রাষ্ট্রের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি—এ কথা সত্য। কিন্তু পরিবার ও সমাজেরও দায়িত্ব রয়েছে। জনাকীর্ণ মেলা, বাজার, স্টেশন, বাস টার্মিনাল কিংবা বড় কোনো অনুষ্ঠানে ছোট শিশুকে এক মুহূর্তের জন্যও চোখের আড়াল না করা, শিশুর সঙ্গে জরুরি যোগাযোগের ব্যবস্থা রাখা, তার পরিচয় ও পরিবারের যোগাযোগের তথ্য জানা এবং বয়স উপযোগী নিরাপত্তা শিক্ষা দেওয়া—এসব ছোট পদক্ষেপ অনেক বড় বিপদ ঠেকাতে পারে। আর কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার অর্থ শুধু তাদের ওপর নজর রাখা নয়; তাদের সঙ্গে কথা বলাও। একজন কিশোর কেন ঘর ছাড়তে চায়? কেন সে পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে ভয় পায়? কেন সে নিজের সমস্যার কথা মা-বাবাকে বলতে পারে না? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে হবে। শুধু শাসন দিয়ে সন্তানকে নিরাপদ রাখা যায় না। বিশ্বাস, বন্ধুত্ব এবং যোগাযোগও শিশুর নিরাপত্তার অংশ। রাষ্ট্রকে জানতে হবে—কে ফিরে এল, কে ফিরল না। শিশু নিখোঁজের ঘটনায় সবচেয়ে জরুরি সংস্কার হতে পারে একটি নিখোঁজ-থেকে-উদ্ধার পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্যচক্র প্রতিষ্ঠা করা।
জিডি হলো শুরু। শেষ নয়। একটি শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর তার অনুসন্ধান কোথায় পৌঁছেছে, তদন্তকারী কর্মকর্তা কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, শিশুটি উদ্ধার হয়েছে কি না, উদ্ধার হলে কীভাবে হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে তাকে কী ধরনের সুরক্ষা ও পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে—এসব তথ্য একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থায় নথিভুক্ত হওয়া প্রয়োজন।
এতে শুধু পরিসংখ্যানের স্বচ্ছতাই বাড়বে না; কোথায় বেশি শিশু নিখোঁজ হচ্ছে, কোন বয়সের শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে, কোন অঞ্চল থেকে বেশি ঘটনা ঘটছে এবং কোন ধরনের কারণ বারবার সামনে আসছে—এসবও বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে। তখন রাষ্ট্র শুধু সংখ্যা গুনবে না; সংখ্যার ভেতরের মানুষটিকেও দেখতে পারবে।
উন্নয়নের শেষ মানদণ্ড শিশুর নিরাপত্তা
একটি দেশের উন্নয়ন শুধু সেতু, সড়ক, উড়ালসড়ক, জিডিপি কিংবা বহুতল ভবনের সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যায় না। একটি রাষ্ট্র কতটা উন্নত, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হলো—সেই রাষ্ট্র তার শিশুদের কতটা নিরাপদ রাখতে পারে। যে মা নিশ্চিন্তে সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে পারেন না, যে বাবা সন্তানের বাইরে থাকার প্রতিটি মুহূর্তে আতঙ্কে থাকেন, যে পরিবার একটি শিশুর নিখোঁজ হওয়ার পর সঠিক তথ্যের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করে—তাদের কাছে উন্নয়নের সংজ্ঞা ভিন্ন।
তাদের কাছে উন্নয়ন মানে সন্তানটি সন্ধ্যার আগে ঘরে ফিরবে। উন্নয়ন মানে স্কুল থেকে ফিরে দরজায় কড়া নাড়বে পরিচিত ছোট্ট হাত। উন্নয়ন মানে কোনো এক সকালে থানার সামনে সন্তানের ছবি হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। ১৫ হাজারের বেশি নিখোঁজ-সংক্রান্ত জিডির তথ্য আমাদের আতঙ্কিত করার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন আমাদের সতর্ক করার। কারণ এই সংখ্যার প্রতিটি অঙ্কের পেছনে রয়েছে একটি শিশু, একটি পরিবার, একটি গল্প এবং একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।
আমরা যেন শুধু সংখ্যা নিয়ে আলোচনা না করি। আমাদের জানতে হবে—কতজন ফিরে এসেছে। কতজন এখনো ফেরেনি। কোথায় তারা হারিয়ে গেছে। কেন হারিয়ে গেছে। এবং সবচেয়ে বড় কথা—তাদের ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্র কতটা প্রস্তুত। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিরাপদ রাখা কোনো দয়া নয়; এটি রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব।
আজ যে শিশুটি হারিয়ে যাচ্ছে, সে শুধু তার মায়ের সন্তান নয়—সে বাংলাদেশের সন্তান। তার নিরাপদ শৈশব রক্ষা করা মানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রক্ষা করা। শিশুরা যেন আর শুধু নিখোঁজের পরিসংখ্যান না হয়; তারা যেন ফিরে আসে তাদের ঘরে, ফিরে পায় তাদের শৈশব, আর বাংলাদেশ ফিরে পায় তার ভবিষ্যৎ।
- লেখক, সাংবাদিক, জ্যাকসন হাইটস, নিউ ইয়র্ক।