NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অস্বস্তিকর প্রশ্নে সাংবাদিকের ওপর ক্ষেপলেন ট্রাম্প কিয়েভের ওপর রুশ ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণে বাড়ছে হতাহত, পরিস্থিতি থমথমে যুক্তরাজ্যে ধাওয়া দিতে গিয়ে দুর্ঘটনা, ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ৭ গুলিতে প্রাণ হারালেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার তেতে পরীমনির গাড়ি বিতর্ক ‘মাসরুর’ আসলে মাসরুর আরেফিন নন বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত নীতি বাতিল ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়া থেকে সামরিক সম্পদ সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, উদ্বিগ্ন মিত্ররা ট্রাম্প–কিম বৈঠকের ইঙ্গিত, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল
Logo
logo

জাতিসংঘের বকেয়া পরিশোধে ৮৫০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের


Shibbir Ahmed   প্রকাশিত:  ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০৮ এএম

জাতিসংঘের বকেয়া পরিশোধে ৮৫০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

শিব্বীর আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি: জাতিসংঘের বকেয়া অর্থের একটি বড় অংশ পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘকে মোট ৮৫০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার পরিকল্পনার কথা কংগ্রেসকে জানিয়েছে। এর মধ্যে ৭২৫ মিলিয়ন ডলার জাতিসংঘের নিয়মিত বাজেটের জন্য এবং ১২৫ মিলিয়ন ডলার হাইতি ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে অর্থ এখনো জাতিসংঘের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অর্থ ছাড়ের বিষয়টি জাতিসংঘের সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের ব্যয় কমানো এবং সংস্থাটিতে চীনের প্রভাব মোকাবিলাসহ বিভিন্ন সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে আসছে।

জাতিসংঘের হিসাবে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সংস্থাটির ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে নিয়মিত বাজেটের জন্য প্রায় ২.০৪ বিলিয়ন ডলার, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের জন্য প্রায় ২.২ বিলিয়ন ডলার এবং ট্রাইব্যুনালের জন্য আরও অর্থ রয়েছে। তবে বকেয়ার মোট পরিমাণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও জাতিসংঘের হিসাবের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চলতি বছর সদস্য দেশগুলোর বকেয়া অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় সংস্থাটি গুরুতর আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে বলে সতর্ক করেছেন। অর্থসংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘ ইতোমধ্যে বাজেট কমানো ও ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৬ সালের বাজেটও আগের তুলনায় ৯.২ শতাংশ কমানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় অর্থদাতা হলেও ট্রাম্প প্রশাসন গত দেড় বছরে জাতিসংঘ ও এর বিভিন্ন সংস্থায় অর্থায়ন উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসন জাতিসংঘে ব্যাপক সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। প্রস্তাবিত অর্থের পরিমাণ জাতিসংঘের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের মোট বকেয়ার ২০ শতাংশেরও কম। তবে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অর্থ সংস্থাটির তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ কিছুটা কমাতে সহায়তা করতে পারে।

এই অর্থ বরাদ্দের পরিকল্পনাটি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন আগামী মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের আর্থিক সম্পর্কের পাশাপাশি সংস্থাটির ভবিষ্যৎ সংস্কার নিয়েও নতুন করে আন্তর্জাতিক মনোযোগ তৈরি হয়েছে।