NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
Logo
logo

বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৮ এএম

বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে মার্কিন বিনিয়োগের সুযোগ নিয়েও মতবিনিময় করেছেন দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।

 

বুধবার (১২ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশবের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাতে হুমায়ুন কবির প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং বহুমাত্রিক। বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ অর্থনৈতিক সহযোগিতা এ সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ও সম্ভাবনাময় খাতগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অর্থনৈতিক রূপান্তর ও নতুন সম্ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশব বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে কাউন্সিলের আগ্রহের কথা জানান।

 


 

সাক্ষাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা, জ্বালানি, প্রযুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে মার্কিন বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও অংশীদারত্ব আরও গভীর করার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ককে গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করে।