NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬ | ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী খাবারের ভ্যানে বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প! লোহিত সাগরে জাহাজে হুতির হামলায় নিহত ৩ হাইড্রেশন ব্রেক রেখে দিতে চায় ফিফা জ্যাকসন হাইটসে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হবে ১৫ আগস্ট বেলুচিস্তানের স্বঘোষিত স্বাধীনতা দিবস আজ: বিশ্বজুড়ে বেলুচদের নানা কর্মসূচি শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশসহ অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়ের শর্তে হরমুজ খোলার ঘোষণা ইরানের বিপুল ক্ষতির মুখে ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’
Logo
logo

মিশিগান সিনেট প্রাইমারিতে প্রগতিশীল আবদুল এল-সায়েদের জয়, ডেমোক্র্যাট শিবিরে নতুন বার্তা


Shibbir Ahmed   প্রকাশিত:  ০৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৮ পিএম

মিশিগান সিনেট প্রাইমারিতে প্রগতিশীল আবদুল এল-সায়েদের জয়, ডেমোক্র্যাট শিবিরে নতুন বার্তা
মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারিতে জয় পেয়েছেন প্রগতিশীল রাজনীতিক ও চিকিৎসক ড. আবদুল এল-সায়েদ। ঘনিষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে তিনি ডেমোক্র্যাটিক দলের মধ্যপন্থী প্রার্থী কংগ্রেসওম্যান হেইলি স্টিভেন্সকে পরাজিত করেন। এল-সায়েদের এই বিজয়কে ডেমোক্র্যাট দলের প্রগতিশীল ধারার জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। মিশিগানের এই আসনটি ২০২৬ সালের সিনেট নির্বাচনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রচারণায় এল-সায়েদ স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য মোকাবিলার মতো বিষয়কে গুরুত্ব দেন। তার প্রচারণায় তরুণ ভোটার ও প্রগতিশীল কর্মীদের ব্যাপক সমর্থন দেখা যায়। অন্যদিকে, হেইলি স্টিভেন্স ডেমোক্র্যাট দলের প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্ব ও মধ্যপন্থী ভোটারদের সমর্থন পেয়েছিলেন। দুই প্রার্থীর লড়াইটি ডেমোক্র্যাট দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে বিতর্ককে সামনে নিয়ে আসে। এল-সায়েদ এখন সাধারণ নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন। মিশিগানের মতো ‘সুইং স্টেট’-এ এই লড়াই যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের ভারসাম্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ড. আবদুল এল-সায়েদের জয় ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরে প্রগতিশীল রাজনীতির প্রভাব বাড়ার একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।