NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ২, ২০২৬ | ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে গ্রাম পর্যন্ত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জুবাইদা রহমানের আজ থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক স্পেনের অভিবাসন সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা গাজার প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্র্যামি থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে বিতর্ক, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল বিটিএস? বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার জুলাইযোদ্ধা আজিজুরের জীবনসংগ্রামের গল্প শুনলেন প্রধানমন্ত্রী জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৩৪ ৭৩তম জন্মদিনে ববিতা, ফিরে দেখা রুপালি পর্দার সোনালি পথচলা বিশ্বকাপ ‘বিক্রি’ বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি
Logo
logo

নিউইয়র্কে গুলিতে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুলের নামে সড়কের নামকরণ


খবর   প্রকাশিত:  ২১ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০৭ এএম

নিউইয়র্কে গুলিতে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুলের নামে সড়কের নামকরণ

রুদ্র মাসুদ//

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ব্রংক্সের বিচ এভিনিউ এবং ইস্ট ১৭২ স্ট্রিটের সংযোগস্থলটি এখন থেকে ‘ডিটেক্টিভ ফার্স্ট গ্রেড দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ নামে পরিচিত হবে। শনিবার (১৮ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের নামে এই সড়কের নামকরণ করা হয়।

বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও সড়কের নামফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এনওয়াইপিডি কমিশনার জেসিকা টিশসহ নিউইয়র্ক সিটি ও পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দিদারুল ইসলামের স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের সদস্য এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের অবতারণা হয়।

গত বছরের ২৮ জুলাই নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ৩৪৫ পার্ক এভিনিউতে একটি ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হন এনওয়াইপিডি কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম। মৃত্যুর পর তাকে মরণোত্তর ‘ডিটেক্টিভ ফার্স্ট গ্রেড’ পদোন্নতি দেওয়া হয়।

দিদারুল ইসলাম পরিবার-পরিজন নিয়ে ব্রংক্সের পার্কচেস্টারে বসবাস করতেন। তার মৃত্যুর কিছুদিন পর জন্ম নেয় তার তৃতীয় সন্তান আরহাম, যার বয়স এখন ১১ মাস। অপর দুই সন্তান হলেন আহিয়ান ও আজহান। দিদারুলের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল এই সড়কের নামকরণ করে।

সড়কের নামকরণ অনুষ্ঠানে দিদারুল ইসলামের বীরত্বের কথা স্মরণ করে এনওয়াইপিডি কমিশনার জেসিকা টিশ বলেন, ‘এই রাস্তাটি এখন এমন এক ব্যক্তির নাম বহন করবে, যিনি নিউইয়র্ককে নিজের আবাসস্থল বানিয়েছিলেন এবং একে রক্ষা করতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।’